Monday, March 20, 2023

রমজানে ইসূবগুলের ভুসি খাওয়ার কারণ।


রমজানে ইসূবগুলের ভুসি খাওয়ার কারণ।

ইসবগুলের ভূষির শরবত রোজাদারকে এনার্জি দেয়। সারা দিন রোজা রাখার কারণে শরীরের দূর্বল ভাব দূর করতে সহায়তা করে। সমস্ত দিনের ক্লান্তি দূর করতে সচেতন রোজাদারগণ নিয়মিত ইসবগুল ভূষির শরবত খেয়ে থাকেন। তাছাড়া কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়া, আমাশয়সহ বিভিন্ন রোগ জন্য উপকারি।

**কোষ্ঠকাঠিন্য-

কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে পাইল্সের জন্ম হয়। পাইল্স রোগীগণকে সারা বছর ইসুবগুলের ভূষির শরবত খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞগণ। এটি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এক টেবিল চামচ পরিমাণ ইসূবগুল ভূষি এক গ্লাস পানিতে আধঘণ্টা ভিজিয়ে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে বা সেহরিতে খালি পেটে খেয়ে নিলে ভালো উপকার মেলে। ইফতারে শরবতের সাথেও খাওয়া যায়।

**উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস-

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের জন্য ইসূবগুলের শরবত খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞগণ। উচ্চ রক্তচাপের পাশাপাশি টাইপ ২ ডায়াবেটিস রোগীর জন্য ইসবগুলের শরবত দারুণ কার্যকর। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্যও অনেকে সেহেরি ও ইফতারে এটি খেয়ে থাকেন।

**ডায়রিয়া-

সেহরি ও ইফতারে দুইবারে দুই টেবিল চামচ ইসূবগুলের ভুষি খেলে ডায়রিয়া নিয়ন্ত্রিত হয়। রোগীকে ইসূবগুল ভূষির শরবত খাওয়ালে মিলে উপকার। ডায়রিয়া থেকে সুরক্ষার জন্য সচেতন মানুষ নিয়মিত ইসূবগুল ভূষির শরবত খেয়ে থাকেন।

**হজমে সাহায্য-

সারা দিন রোজা রাখার কারণে হজম প্রক্রিয়ায় সমস্যা হতেও পারে। বিশেষত অনেক রোজাদার ইফতারে ভাজাপোড়া খাওয়ার কারণে হজমের সমস্যা দেখা দেয়। ইফতারের সাথে ইসূবগুল ভূষির শরবত খেলে হজমের সমস্যা কমে যায়। পাকস্থলী পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। রোজাদারগণ নিয়মিত ইসবগুল খাওয়ার অভ্যেস  করলে হজমের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

**আমাশয়-

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইসবগুল আমাশয় রোগের জীবাণু নষ্ট করতে পারে না। তবে আমাশয়ের জীবাণু বের করে দেয়ার ক্ষমতা থাকে। সেহরি ও ইফতারে দুবার করে ইসূবগুল ভূষির শরবত খেলে আমাশয় নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।

ভেষজ বাড়ি


No comments:

Post a Comment