Sunday, March 26, 2023

কৃমি

 


কৃমি।
কৃমি নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে ভুগলে ঘরোয়া টোটকায় মুক্তি পেতে পারেন কৃমিসমস্যা থেকে।
কৃমির সমস‍্যা বেশি দিন চলতে দিলে পরিস্থিতি খারাপের দিকে যেতে পারে। ঔষধ ছাড়াও ঘরোয়া উপায়েও কিন্তু কৃমি ছাড়াতে পারেন।
কৃমির উপদ্রব বাড়লে খিমচে দেওয়া এবং কামড়ে দেওয়ার মতো বহুবিধ সমস‍্যাও দেখা দেয়।

কৃমির সমস‍্যা বাচ্চাদের বেশি হয় ঠিকই। তবে বড়দেরও কম ভোগান্তি নয়। মাঝেমাঝে পেটে ব্যথা, সঙ্গে বমি, শরীরে অস্বস্তি, এ রকম সমস‍্যায় অনেকেই ভাবেন, পেটের গোলমাল থেকে শরীর খারাপ করছে। কিন্তু এই লক্ষণ কৃমির কারণে দেখা দিতে পারে। শিশুদের ক্ষেত্রে আবার অনেক সময়ে দেখা যায় কৃমি হলে কিছু ক্ষণ পর পর থুতু ফেলতে থাকে শিশু। এমনকি, কৃমির উপদ্রব বাড়লে খিমচে দেওয়া এবং কামড়ে দেওয়ার মতো আরও সমস্যাও দেখা দেয়। অনেক সময়ে মলের মাধ্যমেও কৃমি বেরিয়ে আসে। বেশি দিন এই সমস‍্যা চলতে দিলে পরিস্থিতি খারাপের দিকে যেতে পারে। তাই বিষয়টি নিয়ে বিশেষজ্ঞের সাথে যোগাযোগ করুন। ঘরোয়া উপায়ে কৃমি ছাড়াতে পারেন।

**লবঙ্গ-
লবঙ্গতে জীবাণুনাশক গুণাগুণ আছে। এক কাপ পানিতে তিন-চারটি লবঙ্গ ফুটিয়ে নিন। সেই পানি সারা দিন অল্প অল্প করে খেতে পারেন। লবঙ্গ দিয়ে ফোটানো পানি শুধু কৃমি নয়, কৃমির ডিমও নির্মূল করে বলে অনেকে বলেন।

**নিমপাতা-
কৃমি কমাতে তেতো খাওয়ার পরামর্শ দেন অনেকেই। কয়েকটি নিমপাতা বেটে ফ্রিজে রেখে দিন। সকালে খালি পেটে এক গ্লাস গরম পানিতে এক চামচ নিমপাতা বাটা মিশিয়ে সেই পান করুন। তবে যে পাত্রে পাতাবাটা রাখবেন, সেই পাত্রে যেন বাতাস না ঢুকে, সে দিকে নজর রাখবেন।

কাঁচা হলুদ-
কাঁচা হলুদ বেটে রস করে নিন। এক চা-চামচ হলুদের রসে সামান্য লবন মিশিয়ে নিন। এটি প্রতি দিন সকালে খালি পেটে খান। আধ কাপ গরম পানিতে সামান্য হলুদ গুঁড়ো এবং লবন মিশিয়েও খেতে পারেন। এক সপ্তাহ নিয়মিত খেলেই উপকার পেতে পারেন।
সৌজন্যে: ভেষজ বাড়ি

No comments:

Post a Comment