Thursday, March 30, 2023

কারিপাতা: প্রকৃতির বিস্ময়! অসাধারণ উপকারিতা-

 কারিপাতা: প্রকৃতির বিস্ময়! অসাধারণ উপকারিতা-


শুকনা কারিপাতা ও গুড়া পাওয়া যায়। যা বাজারের পণ্য নয়, স্বাস্থ্যসম্মতভাবে ঘরে প্রসেসকৃত।


অনেকেই খাবারে মসলা হিসেবে কারি পাতা ব্যবহার করেন। নিম পাতার মতো দেখতে এ পাতা মিষ্টি নিম কিংবা বারসুঙ্গা নামেও পরিচিত। এর পাতা ভারতীয় উপমহাদেশে অনেক ধরনের রান্নায় ব্যবহার করা হয়। প্রায়শই ঝোল জাতীয় রান্নায় ব্যবহার করা হয় বলে সাধারণত একে 'কারি পাতা' বলা হয়।


কারি পাতা শুধু খাবারের স্বাদই বাড়ায় না, এতে রয়েছে বিটা-ক্যারোটিন, প্রোটিন, আয়রন, ফলিক এসিড, ভিটামিন সি, বি, এ, ই। এসব কারণে এ পাতা ব্যবহার করে খাবারের পুষ্টিগুণ বাড়ায় এবং এর মাধ্যমে রূপচর্চাতেও বহু উপকার পাওয়া যায়। চকচকে সবুজ কারি পাতা কোলেস্টেরল এবং রক্তের গ্লুকোজের মাত্রার পরিমাণ ঠিক রাখে। লিভারের জন্য কারি পাতা বেশ উপকারি।


কারি পাতার অনেক স্বাস্থ্যের উপকারিতা আছে। তাদের কিছু কিছু নিচে উল্লেখ করা হল-


**ওজন কমাতে-

খাবারে নিয়মিত কারিপাতার ব্যবহার ওজন কমাতে সাহায্য করে।


**ডায়রিয়া নিরাময়-

পেট ঠান্ডা রাখতে বড় ভূমিকা পালন করে কারি পাতা। নিয়মিত কারি পাতা খাওয়া শুরু করলে পেটের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়। সেই সঙ্গে ডায়ারিয়ার প্রকোপ কমাতেও এই প্রাকৃতিক উপাদানটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। কারিপাতাতে উপস্থিত কার্বেজল অ্যালকালয়েড নামক উপাদান এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।


**মর্নিং সিকনেস-

মর্নিং সিকনেস এবং সর্দির হাত থেকেও কারি পাতা বাঁচায়। কারি পাতা খেলে বমিভাব কমে।


**দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়-

চোখের দৃষ্টিশক্তির জন্যও কারি পাতা খাওয়া খুব ভালো। কারি পাতায় উপস্থিত ভিটামিন এ-র প্রভাবে চোখের কর্নিয়া ভালো থাকে।


**স্বাস্থ্যকর চুল-

চুল পড়ার হাত থেকেও মুক্তি দেয় কারিপাতা। এতে উপস্থিত অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল এবং ভিটামিন এ ও সি চুলের গোড়া শক্ত করে এবং চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। শুধু তাই নয় ত্বকের স্বাস্থ্য রক্ষাতেও কারি পাতার কোনও তুলনা হয় না।


**ক্ষত নিরাময় করে-

 কারিপাতায় আছে উপকারী অ্যালকালয়েড। যে কোনও আঘাত বা জখম অনায়াসে নির্মূল করতে সাহায্য করে এটি। কারি পাতা সেদ্ধ পানি চুলকানি, অল্প পোড়া, ইত্যাদি সারাতে ভালো কাজ দেয়। কারি পাতা বাটা খুব ভালো অ্যান্টিসেপ্টিকের কাজ করে।


**হার্ট ভালো রাখতে-

কারিপাতা ভিটামিন সি, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি ইনফ্লেমেটারিতে পরিপূরণ থাকায় এটি হার্টের পক্ষে খুব উপকারী। নিয়মিত কারিপাতার রস খেলে হার্টের রোগ প্রতিরোধ সহজ হয়।


**অ্যানিমিয়া নিরাময়-

ফলিক এবং আয়রনে ভরপুর এই প্রকৃতিক উপাদানটি শরীরে প্রবেশ করার পর লোহিত রক্ত কনিকার মাত্রাক বাড়িয়ে দেয়। এক্ষেত্রে প্রতিদিন সকালে একটা খেজুরের সঙ্গে ২ টো কারি পাতা খেলে উপকার পাওয়া যায়।


**ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে-

প্রতিদিন কারি পাতা খেলে ইনসুলিনের কর্মক্ষমতা বাড়তে শুরু করে। ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা স্বাভাবিক লেভেলের উপরে যাওয়ার সুযোগ পায় না। এখানেই শেষ নয়, কারি পাতায় উপস্থিত ফাইবারও ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

সংগৃহিত। ছবি গুগল।


পেজ: ভেষজ বাড়ি 


শো রুমঃ বনাজী ভেষজালয়।

ভেজালের বাজারে নির্ভেজাল পণ্য সংগ্রহের প্রচেষ্টায়...

Herbs for healthy life

বাড়ী#২৮, রোড#৪, ব্লক#এফ, বনশ্রী, রামপুরা, ঢাকা

০১৬২০১২০৮১৭


তরমুজের বীজে মেলে যত উপকার-

 

তরমুজের বীজে মেলে যত উপকার-
বাজার এখন সয়লাব তরমুজে। শরীরের পানিশূন্যতা দূর করার ক্ষেত্রে ফলটির তুলনাহীন। অনেকেই তরমুজ খাওয়ার সময় এর বীজ ফেলে দেন। ফলের মতো তরমুজের বীজেরও রয়েছে বহু পুষ্টিগুণ।

***তরমুজের বীজের পুষ্টিগুণ-
**খনিজের উত্স-
তরমুজের বীজ রোদে শুকিয়ে স্ন্যাকস হিসেবে খাওয়া যায়।  তরমুজের বীজে থাকা ম্যাগনেশিয়াম রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ করে। এই বীজে ফসফরাস, সোডিয়াম, কপার, জিঙ্কও থাকে।

**আমিষের উৎস-
প্রচুর পরিমাণ আমিষ থাকে তরমুজ বীজে। সারাদিনে যে পরিমাণ আমিষ প্রয়োজন তার ষাট শতাংশ মিলে এক কাপ তরমুজের বীজে। আর্গিনাইন নামক অ্যামাইনো অ্যাসিড পাবেন এই বীজে। উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতেও এটি গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া গ্লুটামিক অ্যাসিড, লাইসিন নামক উপাদান আছে। এগুলো শরীরের জন্য খুবই উপকারি।

**ভিটামিন বি এর উত্স-
দেহের জন্য ভিটামিন বি একটি প্রয়োজনীয় উপাদান। যেকোনো খাবার পরিপাক করতে ভিটামিন বি কাজ করে। শরীরে শক্তি জোগায়। তরমুজের বীজে রয়েছে ভিটামিন বি।

**চুলের যত্নে তরমুজ বীজ-
চুলের জন্য খুবই কার্যকর তরমুজ বীজ।  প্রোটিন, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম ও কপারের মতো উপাদান সমৃদ্ধ। প্রোটিন চুলের বৃদ্ধি করে। ম্যাগনেসিয়াম চুলের আগা ফাটা ও ভেঙে পড়া রোধ করে। এ বীজ কপার মেলানিন উৎপাদন করে, যাতে চুল হয় রেশমি ও কোমল।

**পুরুষের প্রজনন ক্ষমতা বাড়ায়-
পুরুষূের প্রজনন ক্ষমতার জন্য জিংক খুবই গুরুত্বপূর্ণ। চীনা গবেষণা মতে, জিংক পুরুষদের শুক্রাণুর মান ভালোভাবে উন্নত করতে পারে। তরমুজ ফল, বীজ ম্যাঙ্গানিজের ভা


লো উৎস। ম্যাংগানিজে পুরুষের প্রজনন ক্ষমতা উন্নত করতে যথেষ্ট অবদান থাকে।

তাই তরমুজের বীজ ফেলে না দিয়ে খেয়ে ফেলুন।
সৌজন্যে: ভেষজ বাড়ি

Wednesday, March 29, 2023

হিমালয়ান পিংক সল্ট।

 হিমালয়ান পিংক সল্ট।


সাধারণ লবণের পরিবর্তে‌ হিমালয়ান পিংক সল্টকে খাদ্যতালিকায় রাখুন! মিলবে একাধিক স্বাস্থ্য উপকারিতা। যাকে বাংলায় সৈন্ধব লবণও বলা হয়ে থাকে।

পাওয়া যাচ্ছে আস্ত পিংক সল্ট বা সৈন্ধব লবণ।
  
হিমালয়ের পাদদেশের কাছে পাকিস্তানের অঞ্চলে এই লবণ পাওয়া যায়। এই লবণ কম পরিশোধিত হয়। বিজ্ঞানীদের মতে, এতে ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ নেই। এটি একটি প্রাকৃতিক লবণ। এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নগণ্য।

আমি মনজুর আহমেদ ঢাকা থেকে কাজ করছি দূষ্প্রাপ‍্য দেশি-বিদেশি ভেষজ, প্রাকৃতিক খাবার ও নিত‍্যপণ‍্য নিয়ে। সাথে থাকুন।

জল ও নুন- শরীরের ক্ষেত্রে ভীষণ উপকারী দুটো বস্তু। কিন্তু কাঁচা নুন বা সাদা নুন বেশি পরিমাণে খেতে বারণ করেন ডাক্তাররা। কারণ এতে ঝুঁকি থাকে রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ার। আবার শরীরে নুনের পরিমাণ কমে গেলে, সেখানেও অসুস্থ হয়ে পড়ার ঝুঁকি থাকে। এমন অবস্থা তাহলে কী করণীয়! সাধারণ নুনের বদলে বেছে নিন হিমালয়ান পিংক সল্ট।

হিমালয়ের পাদদেশের কাছে পাকিস্তানের অঞ্চলে এই লবণ পাওয়া যায়। এই লবণ কম পরিশোধিত হয়। বিজ্ঞানীদের মতে, এতে ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ নেই। এটি একটি প্রাকৃতিক লবণ। এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নগণ্য। এই লবণকে হিমালয়ান পিংক সল্টও বলা হয়। এই লবণ আপনার ত্বককে ভালো রাখতে এবং অনেক রোগ থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।

এই লবণের মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টিযুক্ত উপাদান। হিমালয়ান পিংক সল্ট আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা শাস্ত্রেও ব্যবহার করা হয়। এই নুনের একাধিক স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে। কিন্তু এই নুনকে খাদ্যতালিকায় যুক্ত করার আগে এর স্বাস্থ্য উপকারিতাগুলি সম্পর্কে জানা দরকার…

হিমালয়ান পিংক সল্টে চিনি, কার্বোহাইড্রেট, ফাইবার, ক্যালোরি, প্রোটিন এবং চর্বি থাকে না। এতে রয়েছে বিশুদ্ধ সোডিয়াম।

পটাসিয়াম – ২.৮ মিলিগ্রাম
ম্যাগনেসিয়াম – ১.০৬ মিলিগ্রাম
আয়রন – ০.০৩৬৯ মিগ্রা
সোডিয়াম – ৩৬৮ মিলিগ্রাম

-হিমালয়া পিংক সল্ট এলডিএল অর্থাৎ খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। যদি আপনার কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেড়ে যায় তবে আপনি হিমালয়া পিংক সল্ট খেতে পারেন। আপনি সাধারণ লবণের পরিবর্তে এটি ব্যবহার করতে পারেন।

-ওজন কমাতে হিমালয়া পিংক সল্ট খাওয়া যেতে পারে। এর জন্য হালকা গরম জলে এই লবণ ও লেবুর রস মিশিয়ে নিতে হবে।
এটি খেলে ওজন দ্রুত কমে যায়।

-হিমালয়া পিংক সল্ট ও লেবু খেলে মেটাবলিক রেট ভালো থাকে। এটি পরিপাকতন্ত্রকেও সুস্থ রাখে।

-এছাড়াও আপনি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হিমালয়া পিংক সল্ট খেতে পারেন। এটি রক্তচাপের ওপর দারুণ প্রভাব ফেলে।

-স্ট্রেস এবং বিষণ্নতা কমাতে হিমালয়া পিংক সল্টও খাওয়া যেতে পারে।

-হিমালয়া পিংক সল্ট শরীরের ব্যথা এবং হাড়ের ব্যথার জন্যও উপকারী।

-প্রতিদিন হিমালয়া পিংক সল্ট খেলে রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকে। এটি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী।

-অ্যাজমা এবং আর্থ্রাইটিস রোগীদের সাধারণ লবণের পরিবর্তে এই লবণ খাওয়া উচিত। এটি একটি আয়ুর্বেদিক ওষুধের মতো কাজ করে।

-এটি আপনার শরীরে জলের অভাব হতে দেয় না। এটি আপনাকে হাইড্রেটেড রাখে।

-এটি আপনার শক্তি বাড়ায়। কারণ এই লবণে রয়েছে শক্তি বৃদ্ধিকারী খনিজ উপাদান।

-এটি হার্টকেও সুস্থ রাখে। এটি হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের ঝুঁকিও কমায়।


পেইজ ভেষজ বাড়ি

বনাজী ভেষজালয়।
ভেজালের বাজারে নির্ভেজাল পণ্য সংগ্রহের প্রচেষ্টায়...
Herbs for healthy life
বাড়ী#২৮, রোড#৪, ব্লক#এফ, বনশ্রী, রামপুরা, ঢাকা
০১৬২০১২০৮১৭


হিং গুণাগুণ, ব্যবহার ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া -

 


হিং গুণাগুণ, ব্যবহার ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া -

ইন্ডিয়ান হিং ইনটেক প্যাক ও কৌটায় পাওয়া যায়।

Asafoetida,  যা হিং নামে পরিচিত, হল ফেরুলা আসাফাটিডা নামক গাছড়া এবং তার ভিন্ন ধরণের প্রজাতির শিকড় থেকে নিষ্কাশিত হওয়া এক ধরণের আঠা জাতীয় বস্তু। এই গাছটি প্রধানত পাওয়া যায় পূর্ব এবং মধ্য এশিয়ার ভূমধ্য অঞ্চলে। হিং গণ্য করা হয় তার ঔষধিগুণের জন্য। বিশেষত হজমের জন্য।

আয়ুর্বেদে আসাফাটিডা একটি রেচক (হজমে সাহায্য করে) হিসেবে বর্ণিত এবং একটি বায়ুপ্রকোপকারী (গ্যাস বের করে দিতে সাহায্য করে এবং স্থুলতা কমায়)।

১৭০ ধরণের ফেরুলা হয়, যার মধ্যে তিনটি ধরণ ভারতে ফলানো হয়, প্রধানত কাশ্মীর এবং পাঞ্জাব রাজ্যে। এটি আপিয়াসি পরিবারের সদস্য এবং এটি হল একটি গাছ যা বহুবর্ষজীবি (দু’বছরের বেশি বেঁচে থাকে) এবং সাধারণত ৪মিটার উচ্চতায় গজায়। গাছের কাণ্ডটি হয় ফাঁপা এবং সরস (জল ধরে রাখে) । ফুলগুলি সাধারণত হলুদ রঙের হয়। শিকড় এবং মৌলকাণ্ড হল এই গাছের সবচেয়ে মূল্যবান অংশ যেখান থেকে ‘ওলেওরেসিন’ নামক আঠা সংগ্রহ করা হয়। এই আঠা শুকিয়ে আসাফাটিডা বা হিং তৈরি করা হয়।  


হিং ইতিহাস ফিরে যায় রোমান সাম্রাজ্যে। আজও হিং ব্যপকভাবে ব্যবহার করা হয় ঝোল এবং আচারকে সুস্বাদু করার প্রতিনিধি হিসেবে। হিং থেকে উদ্ভুত উপকারিতা একে আয়ুর্বেদিক ওষুধ তৈরিতে অন্যতম উপকরণ বানায়। আসুন দেখে নেওয়া যাক হিং কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপকারিতা।

হজম উন্নত করেঃ হিং আয়ুর্বেদিক ওষুধে ব্যবহার করা হয় এর হজমের উপকারিতার জন্য। এর একটি পুনঃস্থাপন করার প্রভাব রয়েছে পাকস্থলীর pH-এর ওপর এবং এটি হজমকারী রসের ক্রিয়া উন্নত করে। এটি পাকস্থলীর গ্যাস এবং স্থুলতাও কমায়।
স্মৃতিশক্তি উন্নত করেঃ হিং একটি দুর্দান্ত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যেটি আসিটিলকোলিনের ভাঙন আটকায়। আসিটিলকোলিন হল একটি রাসায়নিক যেটি মস্তিষ্কের সংকেত আদানপ্রদানের জন্য দায়ী। এটি স্মৃতি সংরক্ষিত রাখে এবং চেতনা (শেখার ক্ষমতা) উন্নত করে।
ওজন কমায়ঃ হিং চর্বির জমাট বাঁধা কমিয়ে ওজন কমানো উন্নীত করে। এটি হজম এবং পরিপাক উন্নত করে যার ফলে অতিরিক্ত ওজন কমে তাড়াতাড়ি।
রক্তচাপ কমায়ঃ ক্লিনিকাল গবেষণা প্রস্তাবিত করে যে হিং উচ্চ রক্তচাপ সম্পন্ন ব্যক্তিদের রক্তচাপ কমানোয় কার্যকর। এটি প্রধানত যুক্ত করা যায় এর ভ্যাসোরিলাক্সান্ট বৈশিষ্ট্যের (রক্তনালী শিথিল করে) জন্য যেটি হিং সক্রিয় উপাদানগুলিতে পাওয়া যায়।
বৃক্কের ক্রিয়া উন্নত করেঃ প্রথাগত চিকিৎসায় হিং পরিচিত মূত্রবর্ধক হিসেবে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হওয়ার দরুন, এটি বৃক্কের ক্ষয় আটকায় এবং বৃক্কের কার্যকারিতা উন্নীত করে।
প্রাকৃতিক জীবাণু-বিরোধীঃ হিং একটি শক্তিশালী জীবাণু-বিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে এবং এটি আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয় বিভিন্ন সংক্রমণ আটকাতে। হিং অপরিহার্য তেলকে সবচেয়ে সাধারন প্যাথোজেনিক ব্যাকটেরিয়া এবং ছত্রাকের বৃদ্ধি আটকাতে দেখা গেছে। এটি আচার এবং কৃত্রিম খাবারে সংরক্ষকের কাজ করে।     

অন্যান্য ঔষধীয় গাছড়া সহযোগে হিং দিয়ে তৈরি করা মিশ্রণকে একটি ভাল যকৃৎ রক্ষাকারী প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতে দেখা যায়। একটি গবেষণায়, হিং জলীয় নির্যাস তৈরি করে দেওয়া হয়েছিল যকৃতের সমস্যায় আক্রান্ত রুগীদের। দেখা যায় যে কিছু এঞ্জাইমের ক্রিয়া কমার ফলে যকৃতের পরিপাকের ক্রিয়া কমে। এর ফলে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে আরোগ্য লাভ হয়। এই গবেষণা থেকে পাওয়া তথ্যে দেখা যায় যে যকৃতে বিষাক্তভাব ছড়িয়ে দেওয়া কার্বন টেট্রাক্লোরাইডের ক্রিয়া উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমে যায় নির্ধারিত ডোজে হিং ব্যবহার করার ফলে।

আসাফাটিডাতে স্থুলতা-বিরোধী বৈশিষ্ট্যের সম্ভাব্যতা পাওয়া গেছে। হিং নির্ধারিত ডোজ ওজন কমানোয় অবদান রাখতে পারে শরীরের অস্বাভাবিক চর্বি এবং ওজন কমিয়ে। হিং উল্লেখযোগ্যভাবে হজমে সাহায্য করে এবং পরিপাক করার ক্রিয়া বর্ধিত করে। এই সকল কারণ ওজনে নিয়ন্ত্রণ রাখতে সাহায্য করে। ডায়বিটিস-প্রবর্তিত স্থুলতাও হিং সেবন করে কমানো যেতে পারে।

**ক্যানসারের জন্য হিং-
হিং নির্যাসে টিউমার কমানোর বৈশিষ্ট্য পাওয়া গেছে। একটি গবেষণা অনুযায়ী কারসিনোজেনের (প্রকৃতিতে থাকা ক্যানসার-সৃষ্টিকারী উপাদানগুলি) প্রভাব উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায় আসাফাটিডা ব্যবহারের ফলে যার ফলে টিউমারের বিরুদ্ধে সম্ভাব্যতা প্রতিষ্ঠিত হয়।

আসাফাটিডার বর্ধিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ওষুধ সচলকারী বৈশিষ্ট্য এটির কারসিনোজেন-বিরোধী ক্রিয়াতে অবদান রাখে। সেহেতু হিংকে একটি ক্যানসার-বিরোধী (ক্যানসার প্রতিরোধ করে) গাছড়া বলা যায়।

**ডায়বেটিসের জন্য হিং-
আসাফাটিডা থেকে গৃহীত নির্যাসে হাইপোগ্লাইসেমিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে অর্থাৎ এটি রক্তে শর্করাভাব কমায়।

হিং আঠার নির্যাসে ফেনলিক অ্যাসিড এবং ট্যানিনের মত যৌগের উপস্থিতি তার ডায়বিটিস-বিরোধী বৈশিষ্ট্যে অবদান যোগায়। হিং ডায়বিটিস নিয়ন্ত্রণ করার সম্ভাব্যতা নিয়ে গবেষণা চলছে এবং ইন ভিভোতে এখনো প্রতিষ্ঠিত হওয়া বাকি।

**রক্তচাপের জন্য হিং-
হিং একটি রক্তচাপ কমানোর প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করে যখন এটি ডোজ-নির্ভর পদ্ধতিতে সেবন করা হয়। একটি গবেষণায়, আসাফাটিডার আঠার নির্যাসকে উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধ করতে বা উচ্চ রক্তচাপে ভোগা রুগীদের রক্তচাপ কমাতে দেখা গেছে।

এই গাছড়ার একটি প্রধান উপাদান ফেরুলিক অ্যাসিডের রক্তচাপ কমানোর সামর্থ্য দেখা গেছে। এই অ্যাসিডটি নাইট্রোজেন অক্সাইডের লভ্যতা বাড়ায় যা রক্তকোষের দ্বারা নির্মিত একটি শিথিলকারী (রক্তনালীর উত্তেজনা কমায়) । এইভাবে, এটি রক্তচাপ কমায়। 

**শিথিলতার জন্য হিং-
গবেষণা প্রমাণ করে যে ফেরুলা আসাফাটিডা-র আঠার নির্যাসে শিথিলকারী বৈশিষ্ট্য রয়েছে। পেশীর সংকুচনের জন্য প্রায়ই হিং সুপারিশ করা হয়।

বিভিন্ন শিথিলকারী যৌগ আসাফাটিডার আঠার নির্যাসে রয়েছে যা মস্তিষ্ক কোষের নির্দিষ্ট প্রতিক্রিয়াশীল অংশের সাথে প্রতিক্রিয়া দেখায় এবং শিথিলতার অনুভুতি তৈরি করে। এইসব যৌগগুলি কোষে থাকা ক্যালসিয়াম আয়নকে গতিশীলতা প্রদান করে যা পেশীর কোষের সংকুচনে সাহায্য করে।

**স্মৃতিশক্তির জন্য হিং-
হিং উল্লেখযোগ্য পরিমাণে স্মৃতিশক্তি এবং শেখার ক্ষমতা বাড়ায় বলে পরিচিত। আসাফাটিডা একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যাসিটিলকোলিনেসটেরেস এনজাইমের ক্রিয়া থামিয়ে দেওয়ার সামর্থ্য রাখে। এই এনজাইমটি দায়ী অ্যাসিটিলকোলিন স্নায়ুপ্রেরকের ভাঙনের জন্য দায়ী। এই রাসায়নিকটি স্নায়ুস্পন্দন আদানপ্রদান সম্ভব করে।

অ্যাসিটিলকোলিন স্মৃতির কোষের সঠিক ক্রিয়াকলাপের জন্য প্রয়োজনীয়। এইভাবে আসাফাটিডা মস্তিষ্কের স্মৃতির সম্ভাব্যতা বাড়ায় স্নায়ুপ্রেরক অক্ষত রেখে। গবেষণা প্রমাণ করে যে হিং ব্যবহার স্মৃতিভ্রংশ-বিরোধী চিকিৎসায় উপকারী প্রমাণ হতে পারে।

**বৃক্কের জন্য হিং-
প্রথাগতভাবে, ইরানি চিকিৎসায় হিং ব্যবহৃত হয়ে আসছে মূত্রবর্ধক হিসেবে, অর্থাৎ এটি প্রস্রাব বৃদ্ধি করে। একটি সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে যে হিং নিয়ন্ত্রিত ব্যবহার উল্লেখযোগ্য ভাবে প্রস্রাবের পরিমাণ এবং প্রস্রাবে সোডিয়াম এবং পটাসিয়ামের শতকরা পরিমাণ বৃদ্ধি করে। ফ্লাভোনয়েড এবং আসাফাটিডার আঠায় থাকা অন্যান্য জৈব যৌগের মূত্রবর্ধক হিসেবে অবদান রয়েছে।  

**হৃদয়ের জন্য হিং-
হিঙে থাকা ফ্লাভোনয়েডের মত যৌগগুলির নির্যাস দায়ী এর জারক-বিরোধী বৈশিষ্ট্যের জন্য। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট দায়ী রক্তধারায় থাকা ফ্রি র‍্যাডিকালকে নিষ্ক্রিয় করতে। ফ্রি র‍্যাডিকাল চারিত্রিকভাবে হল খুবই প্রতিক্রিয়াশীল এবং এটি অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলির ক্ষতি করতে পারে। অক্সিডেটিভ চাপের আবহে ফ্লাভোনয়েড হৃদয়কে রক্ষা করে। ফ্লাভোনয়েডের অবদান রয়েছে বিভিন্ন জৈবিক ক্রিয়ার ক্ষেত্রে যা স্ট্রোক এবং করোনারি হৃদরোগ হওয়ার ঝুঁকি কমিয়ে দেয়।

**খাবার সংরক্ষণের জন্য হিং-
হিং জীবাণু-বিরোধী বৈশিষ্ট্য খাবার সংরক্ষণের জন্যেও নিজুক্ত করা যায়। হিং থেকে নিষ্কাশিত কিছু অপরিহার্য তেল প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের কাজ করে। এবং এইভাবে যখন হিং খাবারে যোগ করা হয়, সেটি অক্সিডাইস হওয়া আটকে সংরক্ষক হিসেবে কাজ করে।

উপরন্তু, হিং অনাবশ্যক ব্যাকটেরিয়া এবং ছত্রাকের ফলন আটকায়। এই বৈশিষ্ট্যটি একে আচার এবং বাক্সবন্দি খাবারের সবচেয়ে অনুকুল সংরক্ষক বানায়। হিং চর্বিযুক্ত খাবারে অক্সিডেটিভ স্থায়িত্ব দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয় এবং খাদ্য শিল্পে এটি একটি ভাল জীবাণু-বিরোধী প্রতিনিধির উৎস। 

**জীবাণু-বিরোধী হিসেবে হিং-
জীবাণু-বিরোধী হিসেবে হিং উপকারিতা সুপরিচিত। ভেষজ ওষুধে হিং ব্যবহার করা হয় বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া এবং ছত্রাকের বিরুদ্ধে চিকিৎসার জন্য। ফেরুলা আসাফাটিডা-র আঠা থেকে গৃহীত অপরিহার্য তেলে বেসিলাস সাবটিলিস, এশেরিশিয়া কোলি, স্ট্যাফাইলোকোকাস অরেয়াস, অ্যাসপারগিলাস নাইজার এবং পিউডোডোমাস অ্যারুগিনোসা-র মত বিবিধ ধরণের প্যাথোজেনের বিরুদ্ধে জীবাণু-বিরোধী প্রভাব দেখা যায়। সেহেতু হিং সুপারিশ করা হয় ঔষধি এবং চিকিৎসার উদ্দেশ্যে জীবাণু থেকে হওয়া সংক্রমণের ক্ষেত্রে।

**অম্লনাশক হিসেবে হিং-
গবেষণায় পাওয়া গেছে যে হিং সেবন লালা এবং গ্যাস্ট্রিক রসের প্রবাহ বৃদ্ধি করে। হিং এনজাইমের কার্যকলাপে অনুঘটন করে পাকস্থলীর অম্লতা কমায়। এর ফলে স্থুলতা কমে এবং গ্যাস বেড়িয়ে যায়। হিং সেবন অগ্ন্যাশয়ের রসের প্রবাহ বাড়িয়ে তোলে যার অবদান রয়েছে হজমের প্রক্রিয়ায়।

গ্যাস্ট্রোইনটেস্টিনাল সমস্যায় আক্রান্ত রুগীদের নির্ধারিত পরিমাণে হিং সেবন করতে সুপারিশ করা হয় তাদের অম্বল নিয়ন্ত্রণে রাখতে। গ্যাস্ট্রোইনটেস্টিনাল আলসার হওয়াও আটকানো যায় হিং নিয়ন্ত্রিত ব্যবহারে।   

**হজমের জন্য হিং-
হিং প্রধান উপকারিতা হল যে এটি হজমের প্রক্রিয়াতে সাহায্য করে। আয়ুর্বেদিক পুঁথি ‘চারক সংহিতা’-তে হিং উল্লেখ রয়েছে একটি গাছড়া হিসেবে যেটি হজম উন্নত করে। হিং বিভিন্ন চূর্ণয় (আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় ব্যবহৃত শক্তিশালী গাছড়ার মিশ্রণ) একটি প্রধান উপকরণ, বিশেষত সেগুলি যা হজম উন্নত করে।

হিং পাকস্থলীর বিষাক্ত পদার্থ দূর করে এবং pH (অ্যাসিডের ভারসাম্য) পুনরুদ্ধার করে যেটি হজম নিয়ন্ত্রণ করতে এবং হজমকারী রসের ক্রিয়া মসৃণ করে। গবেষণাতে পাওয়া গেছে রোজকার খাদ্যাভ্যাসে নির্ধারিত পরিমাণ হিং সংযোজন করলে বিরক্তিজনক পেটের সমস্যা (কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়া, পেটের সঙ্কুচন) হওয়ার সম্ভাবনা কমে।

*হিংয়ের ব্যবহার-
হিং সবচেয়ে সহজলভ্য পাউডারের আকারে পাওয়া যায়। হিং ঔষধিয় ডোজ যেটি সাধারণত সুপারিশ করা হয় তা হল প্রায় ১২৫-৫০০মিলিগ্রাম। যদিও সঠিক ডোজ একজন ব্যক্তির ওজন, বয়স এবং দেহতত্ত্ব অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে। সেহেতু ঔষধিয় কারণে হিংয়ের ব্যবহারের আগে একজন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

*হিং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া -
আসাফাটিডা সাধারণত নিরাপদ যখন এর পরিমাণ খাওয়ার ব্যবহৃত অংশের সমান হয়। যদিও হিং ঔষধিয় ব্যবহার কিছু লোকের মধ্যে কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণ হতে পারে। হিং ব্যবহারের কারণে যেসব পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে তা নিম্নে দেয়া  হলো।

হিং বেশি সেবনের কারণে কিছু লোকের ঠোঁটে ফোলাভাব হতে পারে। এই অবস্থা সাধারণত বেশিক্ষণ স্থায়ী থাকেনা এবং কিছুক্ষণ পরেই অদৃশ্য হয়ে যায়।এই অবস্থা যদি স্থায়ী হয়, তাহলে শীঘ্রই একজন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

যদিও হিং ব্যবহৃত হয় একটি বায়ুপ্রকোপকারী। (গ্যাস বের করে দেয়), কোন কোন ক্ষেত্রে খাবারে অতিরিক্ত পরিমাণে হিং ব্যবহারের ফলে তাদের গ্যাস্ট্রিক সমস্যা দেখা দিতে পারে এবং একটি জ্বালার ভাবের সাথে বমিভাব তৈরি হতে পারে। সেহেতু যাতে ভারি পরিমাণে হিং রয়েছে, তা খাওয়ার আগে হালকা খাবার খেয়ে নেওয়ার উপদেশ দেওয়া হয়।
হিংয়ের আরেকটি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হল এটির সেবনের ফলে কিছু লোকের ত্বকে লাল ফুসকুড়ি এবং ফোলাভাব দেখা দিতে পারে। যদি ফোলাভাব স্থায়ী হয়, তৎক্ষণাৎ আপনার কোন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেয়া উচিৎ।

হিংয়ের অতিরিক্ত সেবনের ফলে কখনো কিছু লোকের মধ্যে ঝিমুনি বা মাথা ব্যথা অনুভুত হতে পারে।
হিং প্রাকৃতিকভাবে রক্তচাপ কমানোর এবং রক্ত পাতলা করে। এই প্রভাবের কারণে রক্তের এবং সেই সম্পর্কিত সমস্যায় আক্রান্ত রুগীদের রক্ত জমাট বাঁধতে দেরি হতে পারে। উচ্চ রক্তচাপের জন্য যারা ওষুধ খাচ্ছেন, তারা হিং সেবন করার আগে চিকিৎসকের সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করে নেওয়া উচিৎ কারণ হিং ওষুধের সাথে এটিকে প্রতিক্রিয়াশীল হিসেবে দেখা গেছে।

গর্ভবতী মহিলাদের তাদের খাদ্যাভ্যাসে হিং না খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয় কারণ এর ফলে গর্ভপাত হতে পারে। সন্তানপ্রসবা মায়েদের হিং এড়িয়ে চলা উচিৎ কারণ এটি মায়ের বুকের দুধ মারফৎ বাচ্চার শরীরে প্রবেশ করে এবং রক্ত-সংক্রান্ত সমস্যা দাড় করে।

কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের সমস্যায় আক্রান্ত বা খিঁচ ধরা সংক্রান্ত সমস্যার ভুক্তভুগি বা পক্ষাঘাতের রুগীদের হিং এড়িয়ে চলা উচিৎ। যদি সেবন করা হয়, তাহলে এই সকল রুগীদের মধ্যে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

ফেসবুক পেজ ভেষজ বাড়ি
ওয়াট্সএপ গ্রুপ
ভেষজ বাড়ি ০১৬২০১২০৮১৭

চেম্বার: বনাজী ভেষজালয়।
ভেজালের বাজারে নির্ভেজাল পণ্য সংগ্রহের প্রচেষ্টায়...
Herbs for healthy life
বাড়ী#২৮, রোড#৪, ব্লক#এফ, বনশ্রী, রামপুরা, ঢাকা


Tuesday, March 28, 2023

প্রতিদিন খেজুর খান, দেখুন কি কি উপকার মেলে।

 

প্রতিদিন খেজুর খান, দেখুন কি কি উপকার মেলে।

খেজুরে আছে ভিটামিন, আঁশ, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফসফরাস, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও জিঙ্ক এর পুস্টিগুণ।

খেজুর মানুষের শরীরের আয়রনের চাহিদার কিছু অংশ  পূরণ করে। তাই নিয়মিত খেজুর খেতে পারেন ।

পুস্টি বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরের প্রয়োজনীয় আয়রনের বেশি অংশ খেজুর থেকে আসে। এ ছাড়া ডায়াবেটিস থাকলে শুকনো খেজুরকে ডায়েটে রাখতে বলেন বিশেষজ্ঞগণ।

পুষ্টিগুণসমূহ-
সুস্বাদু আর বেশ পরিচিত এই ফল, যা ফ্রুকটোজ ও গ্লাইসেমিক সমৃদ্ধ। রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। খেজুর ফলকে চিনির বিকল্প হিসেবে ধরা যায়। খেজুরের পুষ্টি উপাদান হলো চারটি বা ত্রিশ গ্রাম পরিমাণ খেজুরে আছে নব্বই ক্যালোরি, এক গ্রাম প্রোটিন, তের মিলি গ্রাম ক্যালসিয়াম, দুই দশমিক আট গ্রাম ফাইবার এবং আরও অন্যান্য পুষ্টিকর উপাদান। খেজুর শক্তির জন্য একটি ভালো উপাদান। তাই খেজুর খাওয়ার পর পরই শরীরের ক্লান্তিভাব কমে যায়। প্রচুর ভিটামিন বি, যা ভিটামিন বিসিক্স থাকাতে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

রোজকার খাদ্যতালিকায় রাখুন খেজুর।
আয়রনে ভরপুর খেজুর খাবেন প্রতিদিন। অন্তত দুটি খেজুর যদি প্রতিদিন খান তবে অনেক রোগ কাছেও আসবে না। 
পুষ্টিবিদদের মতে, শরীরের প্রয়োজনীয় আয়রনের সকলই রয়েছে এতে।

খেজুরের উপকারিতা কি-
**খেজুরে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন, খনিজ, ক্যালসিয়াম ও পটাশিয়াম। খেজুরে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে।

** এতে ফাইবারও মিলবে। তাই এই ফল পাতে রাখতে পারেন।

** একেকটি খেজুরে রয়েছে বিশ থেকে পচিঁশ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম, যা উচ্চ রক্তচাপ কমাতে পারে।

** রক্তস্বল্পতায় আক্রান্ত রোগীরা নিয়মিত খেজুর খেতে পারেন। 

** চিনির বিকল্প খেজুর রাখতে পারেন।

** কোষ্ঠকাঠিন্যের জন্য রাতে খেজুর পানিতে ভিজিয়ে সকালে ঐ পানি পান করতে পারেন। কমে আসবে কোষ্ঠকাঠিন্য।

** এতে থাকা নানান খনিজ উপাদান হৃদস্পন্দনের হার সঠিক রাখতে সহায়তা করে।

** খেজুরে আছে লিউটেন ও জিক্সাথিন যা রেটিনা ভালো রাখতে পারে।
সৌজন্যে: ভেষজ বাড়ি


আখের গুড়ের যত গুণ!

 


আখের গুড়ের যত গুণ!



পাবেন নওগাঁর ফিটকিরি, ময়দা, কালার, ফ্লেভার ও ক্যামিকেল বিহীন ফ্রেশ আখের গুড়।

শুধু মজাদার পিঠে-পুলি, পায়েস বা মিষ্টিজাতীয় খাবার তৈরির জন্য নয়, আখের গুড়ের রয়েছে অনেক অনেক উপকারিতা। এটি রোগ-প্রতিরোধের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে শরীর সুস্থ রাখে। গ্রীষ্ম, বর্ষা, শীত বার মাস দেহের তাপমাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে আখের গুড়।
আরো রয়েছে একাধিক স্বাস্থ্য উপকারিতা। চলুন জেনে নিন।আখের গুড়ের উপকারিতা সমূহ:
**আখের গুড় শরীরে তাপ উৎপাদন করে এবং দেহের তাপমাত্রা ঠিক রাখে। 
**রয়েছে উচ্চমানের ক্যালোরিফিক যা শরীর উষ্ণ রাখে এবং শারিরীক শক্তি যোগায়।
**ক্ষতিকর অনুজীব বৃদ্ধি ও হ্রাস করে।
**আখের গুড়ে থাকে  অনেক খনিজ উপাদান। যেমন- লৌহ, ম্যাগনেসিয়াম, জিংক, সেলেনিয়াম ও পটাশিয়াম। এই উপাদানগুলো রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং সংক্রমণ দূরে রাখতে সাহায্য করে।
**গলায় সমস্যা- কফ, গলাব্যথা, ফোলা বা খুসখুসে কাশি দূর করতে সাহায্য করে।
**শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা যেমন- বুকে কফ জমাট বাঁধা, রক্ত প্রবাহে সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।
**নিয়মিত খেলে রক্ত পরিষ্কার করে।
**আখের গুড় রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়ায়।
**পাকস্থলী, অন্ত্র, ফুসফুস ও খাদ্যনালী সুস্থ রাখতে সহায়তা করে।

**শীতের শুষ্ক, ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় জীবাণুর হাত থেকে শরীরকে রক্ষা করতে এ গুড় অত্যন্ত কার্যকর।
** গুড়ে বিদ্যমান পটাশিয়াম, সোডিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
**খাওয়ার পর এক চামচ আখের গুড় খান, কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থাকলে মুক্তি মিলবে ইনশাআল্লাহ।
**ঠাণ্ডা লাগা কিংবা সর্দিতে কুসুম গরম পানিতে এটি মিশিয়ে খেলে সর্দি-কাশি ভালো হয়।
আখের গুড়ে রয়েছে এলার্জি বিরোধী উপাদান যা দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। হাঁপানি থাকলে  নিয়ন্ত্রিত হয়।
**গরমকালে শরীর ঠাণ্ডা রাখতে এ গুড়ের শরবতের বিকল্প নেই।
**এ গুড় খেলে এনার্জি পাবেন চটজলদি।

**লিভার থেকে দূষিত পদার্থ বের করে সূস্হ রাখতে সাহায্য করে প্রকৃতিক এই খাবার।উপরোক্ত উপকারগুলো পেতে হলে অবশ্যই আখের খাঁটি গুড় খেতে হবে। কারণ, বাজার ভেজাল গুড়ে সয়লাব। তাই দেখেশুনে তা কিনুন।

ফেসবুক পেজ ভেষজ বাড়ি
ওয়াট্সএপ গ্রুপ
ভেষজ বাড়ি ০১৬২০১২০৮১৭

চেম্বার: বনাজী ভেষজালয়।
ভেজালের বাজারে নির্ভেজাল পণ্য সংগ্রহের প্রচেষ্টায়...
Herbs for healthy life
বাড়ী#২৮, রোড#৪, ব্লক#এফ, বনশ্রী, রামপুরা, ঢাকা


Sunday, March 26, 2023

সাফল্যের চাবিকাঠি।

 



সাফল্যের হিসেব শিখুন ত্রিশ বছর বয়সের পূর্বেই।

জীবনে সাফল্য অর্জন করতে সবাই চায়। এই লক্ষ্যে পৌঁছানোর পথটা মোটেও সহজ কিন্তু নয়। এই পথের জীবনযাত্রার প্রতিটি পদক্ষেপেই আছে বাধার পর বাধা। তাই সাফল্য আশা করলেও তা অর্জন করা খুব সহজ নয়।

মানুষের জীবনে যতগুলো স্তর অতিক্রম করতে হয় তার মধ্যে সবচেয়ে স্বর্ণালী অধ্যায় হচ্ছে শৈশব আর কৈশোর । পনেরো থেকে ত্রিশ বছর বয়েসের এ বাঁকটি জীবনকে অনেক নতুনত্ব দেয়। এটি এমন একটি সময় যে বয়সে জীবনে আসে নানা বাধা-বিপত্তি, নানান প্রতিকূলতা। এ সময়  অনেক কিছুর সম্মুখীন হতে হয়। হার না মেনে সকল বাধা-বিপত্তি ও প্রতিকূলতা কীভাবে পার করতে হয় সেটার শিক্ষা এ বয়সেই শিখে। পরিপূর্ণ সফলতা আনতে শৈশবকাল থেকে অবশ্যই জীবনের একটি মজবুত ভিত্তি গঠন করতে হয়।  কি উপায় অবলম্বন করলে জীবন হয়ে উঠবে নক্ষত্রের মত ও সাফল্যময়।

&&নিজের কাজের দায়িত্ব  নিজের নেয়া-
নিজের কাজের দায়িত্ব নিজেকেই নিতে হয়। নিজের কাজে যদি কোন ভুল থাকে তবে তার জন্য অন্যকে দোষ না দিয়ে নিজের দোষগুলো সংশোধন করতে হবে। আর এই ভুল পরবর্তী কাজের পরিকল্পনা সংশোধন করবে।

&& আপনি নিজের জন্য বিনিয়োগ করুন-
আপনার পড়াশোনা, স্বাস্থ্য এবং অন্যান্য সকল কাজগুলো যথানিয়মে করার চেষ্টা করুন। কোন কাজ ফেলে রাখা ঠিক হবে না। প্রতিদিনই নতুন কিছু করুন।  সবসময় নিজেকে ব্যস্ত রাখুন। নিজের প্রতি যত্নশীল হোন। জীবনকে এমনভাবে গড়ে তুলুন যেন যে কোন বাধা উতরাতে পারেন, সৃজনশীল কাজ করুন এবং নিজের দক্ষতা উপলব্ধি করুন।

&&অর্থের সঠিক ব্যবহার করতে শিখুন-
বয়ঃসন্ধিকালে অযথা টাকা অপচয় করা থেকে সরে দাড়ান। শিখুন কীভাবে টাকা সঞ্চয় করতে হবে এবং বিচক্ষনতার সাথে বিনিয়োগ করতে হবে শুরু থেকেই ভালো আর্থিক অভ্যাস গড়ে তুলুন।

&&সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলা-
সবার সাথে সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ করুন। পরিবার, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু বান্ধব, পাড়া প্রতিবেশী সবার সাথেই ভালো সম্পর্ক বজায় রাখুন। আপনার যোগাযোগ দক্ষতা বাড়ান। একই সঙ্গে সুস্থ জীবনযাপন করুন। শক্তিশালী যোগাযোগ দক্ষতা কার্যকরভাবে আপনার কর্মজীবন এবং আপনার উন্নয়নে অবদান রাখবে।

&&প্রতিকূলতার সাথে মানিয়ে নিন-
জীবন পরিবর্তনশীল। যে কোন প্রতিবন্ধকতায় জীবনকে মানিয়ে নিতে শিখুন। নতুন নতুন অভিজ্ঞতা গ্রহন করে নতুন নতুন কাজ করার সুযোগ তৈরি করে নিন।

&&আবেগ নিয়ন্ত্রণ করুন-
নিজের আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করুন। আপনার জীবনের উদ্দেশ্য এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কৈশোরকাল থেকেই ঠিক করার চেস্টা চালাতে হবে। আবেগের বশবর্তী হয়ে এমন কিছু করবেন না যা পরবর্তীকালে আপনাকে কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি করে তোলে।

&&কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে শিখুন-
আপনার এ জীবনে যা আছে তাই নিয়ে সন্তুষ্ট থাকুন। ছোট ছোট জিনিসের প্রশংসা করুন। কাউকে হেয় করার চেস্টা করবেন না।

&&ক্ষমা করুন:
অন্যের প্রতি ক্ষোভ, হিংসা, বিদ্বেষ থেকে নিজেকে দূরে রাখুন। জীবনে ইতিবাচক মনোভাব গড়ে তুলুন এবং নেতিবাচকতা থেকে সরে দাড়ান।

&&সত্যবাদী হোন-
নিজেকে বিশ্বাষ করুন । সত্যিকারের সফলতা অর্জনের একমাত্র উপায় হচ্ছে সম্পূর্ণরূপে সততার সাথে নিজেকে প্রকাশ করা। যে কোন পরিস্থিতিতে নিজে সততা নিয়ে চলুন।
একদিন দেখবেন আপনি একজন সফল ব্যক্তিত্ব।
সৌজন্যে: ভেষজ বাড়ি

কৃমি

 


কৃমি।
কৃমি নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে ভুগলে ঘরোয়া টোটকায় মুক্তি পেতে পারেন কৃমিসমস্যা থেকে।
কৃমির সমস‍্যা বেশি দিন চলতে দিলে পরিস্থিতি খারাপের দিকে যেতে পারে। ঔষধ ছাড়াও ঘরোয়া উপায়েও কিন্তু কৃমি ছাড়াতে পারেন।
কৃমির উপদ্রব বাড়লে খিমচে দেওয়া এবং কামড়ে দেওয়ার মতো বহুবিধ সমস‍্যাও দেখা দেয়।

কৃমির সমস‍্যা বাচ্চাদের বেশি হয় ঠিকই। তবে বড়দেরও কম ভোগান্তি নয়। মাঝেমাঝে পেটে ব্যথা, সঙ্গে বমি, শরীরে অস্বস্তি, এ রকম সমস‍্যায় অনেকেই ভাবেন, পেটের গোলমাল থেকে শরীর খারাপ করছে। কিন্তু এই লক্ষণ কৃমির কারণে দেখা দিতে পারে। শিশুদের ক্ষেত্রে আবার অনেক সময়ে দেখা যায় কৃমি হলে কিছু ক্ষণ পর পর থুতু ফেলতে থাকে শিশু। এমনকি, কৃমির উপদ্রব বাড়লে খিমচে দেওয়া এবং কামড়ে দেওয়ার মতো আরও সমস্যাও দেখা দেয়। অনেক সময়ে মলের মাধ্যমেও কৃমি বেরিয়ে আসে। বেশি দিন এই সমস‍্যা চলতে দিলে পরিস্থিতি খারাপের দিকে যেতে পারে। তাই বিষয়টি নিয়ে বিশেষজ্ঞের সাথে যোগাযোগ করুন। ঘরোয়া উপায়ে কৃমি ছাড়াতে পারেন।

**লবঙ্গ-
লবঙ্গতে জীবাণুনাশক গুণাগুণ আছে। এক কাপ পানিতে তিন-চারটি লবঙ্গ ফুটিয়ে নিন। সেই পানি সারা দিন অল্প অল্প করে খেতে পারেন। লবঙ্গ দিয়ে ফোটানো পানি শুধু কৃমি নয়, কৃমির ডিমও নির্মূল করে বলে অনেকে বলেন।

**নিমপাতা-
কৃমি কমাতে তেতো খাওয়ার পরামর্শ দেন অনেকেই। কয়েকটি নিমপাতা বেটে ফ্রিজে রেখে দিন। সকালে খালি পেটে এক গ্লাস গরম পানিতে এক চামচ নিমপাতা বাটা মিশিয়ে সেই পান করুন। তবে যে পাত্রে পাতাবাটা রাখবেন, সেই পাত্রে যেন বাতাস না ঢুকে, সে দিকে নজর রাখবেন।

কাঁচা হলুদ-
কাঁচা হলুদ বেটে রস করে নিন। এক চা-চামচ হলুদের রসে সামান্য লবন মিশিয়ে নিন। এটি প্রতি দিন সকালে খালি পেটে খান। আধ কাপ গরম পানিতে সামান্য হলুদ গুঁড়ো এবং লবন মিশিয়েও খেতে পারেন। এক সপ্তাহ নিয়মিত খেলেই উপকার পেতে পারেন।
সৌজন্যে: ভেষজ বাড়ি

Friday, March 24, 2023

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ হবে এ খাবারে-


 ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ হবে এ খাবারে-

দ্রুত কমবে ব্লাড সুগার লেভেল, জেনে নিন।

**মেথি দানা-

মেথি দেহে গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে থাকে। তাই শরীর সুস্থ রাখতে রাতে এক গ্লাস পানিতে দুই চা চামচ মেথি ভিজিয়ে রেখে সকালে খালি পেটে পান করবেন। এতে দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসবে ব্লাড সুগার। এতে গ্যাসসহ অন্যান্য সমস্যা দূরে থাকবে।

**করলা-

করলায় আছে পলি পেপটাইড পি যা ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত সাহায্য করে।

**দারচিনি-

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আনতে রোজ সামান্য গরম পানিতে এক চা চামচ দারচিনি গুড়া মিশিয়ে খেতে পারেন। নিয়ন্ত্রণে আসবে ডায়াবেটিস।

**অ্যালোভেরা-

অ্যালোভেরা দেহের শর্করার পরিমান নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। তাই ডায়বিটিস রোগীগণ নিয়ম করে অ্যালোভেরার জুস পান করতে পারেন।

**আমলকি-

ডায়াবেটিসের মহাষৌধ আমলকী হতে পারে । তাই  সুগার নিয়ন্ত্রণ করতে নিয়মিত আমলকী খেতে পারেন।

*শজনে ডাটা-

 ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অত্যন্ত উপকারী শজনে ডাটা। 

**তেলাকুচা-

ডায়াবেটিস  রোগে তেলাকুচার কাণ্ড সমেত পাতা ছেঁচে রস তৈরি করে আধাকাপ পরিমাণ প্রতিদিন সকাল ও বিকালে খেতে পারেন। তেলাকুচার পাতা শাক হিসাবেও রান্না করে খেলে ডায়াবেটিস রোগে উপশম হয়।

**কালো জামবীজ-

ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে জামের বীজ একটি উপকারী উপাদান। ফল ও বীজ উভয়েই উপস্থিত জাম্বোলাইন ও জাম্বোসাইন নামক পদার্থ রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে  সহায়তা করে। জামের বীজও রক্তের ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রিত করে। জাম খাওয়া উপকারী। বীজগুলো শুকিয়ে গুঁড়ো করে প্রতিদিন খালি পেটে খেলে ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে থাকে।

 ***প্রতিবেদনটি কেবলমাত্র তথ্যের জন্য, তাই বিস্তারিত জানতে হলে সব সময় বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিবেন।

সৌজন্যে: ভেষজ বাড়ি

Wednesday, March 22, 2023

মিস্টি আলুর উপকারিতা-


 মিস্টি আলুর উপকারিতা-

স্বাদে মিষ্টি হলেও ডায়াবেটিসের জন্য অতীব কার্যকরী।


বিশেষজ্ঞদের মতে, রক্তে শর্করার মাত্রা বজায় রাখতে রোজ পাতে মিষ্টি আলুর তরকারি বা সেদ্ধ খাওয়া যেতে পারে। 

স্বাদে মিষ্টি হলেও ডায়াবেটিসের জন্য অতীব কার্যকর!

আরো আছে উপকারী গুণ।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, রোজকার ডায়েটে সাদা আলুর চেয়ে মিষ্টি আলুর গুণ অনেক বেশি। কারণ সাদা আলুর চেয়ে এই মিষ্টি আলুর স্বাদ মিষ্টি হলেও অনেক পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যকর। এতে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন এ, সি, বি২, বি৬, ডি, ই ও বায়োটিন, ক্যালসিয়াম, ফাইবার, আয়রন, তামা, ম্যাঙ্গানিজ, যা প্রতিটিই শরীরের জন্য যথেষ্ট কার্যকরী। ডায়বেটিস রোগীদের জন্য সাদা আলু বিষ হলেও মিষ্টি আলু কিন্তু কার্যকরী। রক্তে শর্করার মাত্রা বজায় রাখতে রোজ পাতে মিষ্টি আলুর তরকারি, ভর্তা বা সেদ্ধ করে খাওয়া যেতে পারে।ক সারা বিশ্বে পাওয়া গেলেও আফ্রিকান,ক্যারিবিয়ান ও প্যাসিফিক আইল্যান্ড কুইজিনে মিষ্টি আলু খাওয়ার চল সবচেয়ে বেশি। ভারতে মিষ্টি আলু সাধারণত ডেসার্ট তৈরি করতে ব্যবহার করা হলেও আমেরিকা, ইউরোপে এই মিষ্টি আলুর ব্যবহার বহুল।

**ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ-

স্বাস্থ্যের দিক থেকে সাদা আলুর চেয়ে মিষ্টি আলু অনেক বেশি উপকারী। সাদা আলুর তুলনায় এতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ফাইবার, যার ফলে এটি হজমের জন্য দুর্দান্ত উপাদান। এছাড়া রক্তে শর্করার মাত্রা বজায় রাখতেও সক্ষম। প্রতিদিনের ডায়েটে ছোট করে কাটা মিষ্টি আলু সেদ্ধ বা রোস্টেড করে খেতে পারেন।

**চোখের স্বাস্থ্য-

চোখের সমস্যা এড়াতে প্রতিদিন রাঙালু খাওয়া যেতে পারে। রঙিন সবজি এমনিই চোখের জন্য ভাল। এতে রয়েছে ভিটামিন এ, যা চোখের স্বাস্থ্যকে রাখে স্বাভাবিক ও সুস্থ। দৃষ্টিশক্তি প্রখর করতে রাঙালুতে রয়েছে বিটা ক্যারোটিন। কিছু গবেষণায় জানা গিয়েছে, বয়সকালে চোখের সমস্যা বা ছানির সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে রাঙালু খাওয়া উপকারী। শুধু চোখ নয়, ক্যানসার, লিভারের রোগ, হাইপোগ্লাইসেমিয়া, ও অন্যান্য স্বাস্থ্যজনিত সমস্যা থেকে রক্ষা করতে মিষ্টি আলু খাওয়া প্রয়োজন।

**হজমশক্তি উন্নত-

কনস্টিপেশন, ডায়েরিয়ার মতো হজমের সমস্যার সমাধানে রাঙালু খেতে পারেন। এতে রয়েছে ফাইবার যা পেটের মধ্যে ভাল ব্যকটেরিয়া যুক্ত করতে ও হজমের জন্য সহজপাচ্য একটি খাবার।

**কোলেস্টেরলের মাত্রা-

মিশ্র খনিজ ও ভিটামিনে ভরপুর রয়েছে  মিস্টি আলুতে। এতে রয়েছে ভিটামিন বি৬, যা লাল রঙের মিষ্টি আলু খেলে হার্টের স্বাস্থ্য থাকে সুস্থ ও স্বাভাবিক। কার্ডিওভাস্কুলার রোগগুলি থেকে দূরে থাকতে ও হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কমায়। রক্তে খারাপ রাসায়নিকগুলির প্রভাব কমাতেও সহায়তা করে। রক্তকণিকার সংখ্যা বৃদ্ধি করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতেও সাহায্য করে।

**দীর্ঘায়ু ও ওজন নিয়ন্ত্রণ-

নিয়মিত মিষ্টি আলু খেলে শরীরে ভিটামিন, মিনারেল, প্রোটিনের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। এতে রয়েছে উচ্চমাত্রায় কার্বোহাইড্রেট, যা মেদ ঝড়াতে বেশি কাজে লাগে। রোজকার সব্জি বা তরকারি খাওয়ার মতো করেই মিষ্টি আলু খেতে পারেন। সালাদ, অলিভ অয়েল দিয়ে রোস্টেড র

মিস্টি আলু খেলে শরীরে কখনও মেদ জমবে না। ভার্সেটাইল ভেজিটেবল হিসেবে মিষ্টি আলু সর্বাবস্থায় উপকারী।

ভেষজ বাড়ি।

Tuesday, March 21, 2023

নাক ডাকার কারণসমূহ ও প্রতিকার


 নাক ডাকার কারণসমূহ ও প্রতিকার

নাক-ডাকার-কারণ-ও-বন্ধের-উপায় বেশ কিছু  ব্যবস্থায় নিয়ন্ত্রিত হতে পারে নাক ডাকা থেকে। 

যদি দৈনিক পর্যাপ্ত ঘুম না হয়ে থাকে, তাহলে নাক ডাকা বাড়তে পারে কিংবা শুরুও হতে পারে। অতিরিক্ত ক্লান্তি শরীরের পেশিগুলোকে অলস করে দেয়, যা নাক ডাকার অন্যতম কারণ।

নাক ডাকার প্রবণতা থাকলে মস্তিষ্কের সক্ষমতা ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে। আইকিউও কমে, সেই সঙ্গে স্মৃতিশক্তিও লোপ পেতে পারে।

অনেকেই ঘুমের মধ্যে নাক ডাকার প্রবনতায় ভোগেন।এতে পাশের মানুষের ঘুম নষ্ট হতে পারে।

বেশ কিছু কারণে মানুষ নাক ডাকতে পারে-

**শরীরের বাড়তি ওজন, গর্ভাবস্থা ও কিছুটা বংশগত কারণ।

**অ্যালার্জি, নাক বন্ধ হওয়া অথবা নাকের ভিন্ন গঠন। এসব কারণে নাকের ভেতরে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচল করতে পারে না ও নাক ডাকা শুরু হয়।

**মদ্যপান, ধূমপান ও বিশেষ কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় নাক ডাকা আরম্ভ হতে পারে ।

**বয়স বেড়ে যাওয়ার কারণে শরীরে চামড়া ঝুলে যায়, পুরু হয় ও গলার কিছু পেশি ফুলে যায়। এ কারণে বয়স্করা নাক ডাকেন তুলনামূলক বেশি।

নাক ডাকা থেকে মুক্তির উপায়-

পরামর্শ-

*অতিরিক্ত ওজন কমানো-

শরীরের অতিরিক্ত ওজন নাক ডাকার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। বাড়তি ওজন নাকের ভেতরে বাতাস চলাচলের জায়গা সংকীর্ণ করে দেয়। শ্বাস-প্রশ্বাস চলাচলের সময় শব্দের সৃষ্টি হয়। তাই ওজন কমালে এই সমস্যা থেকে অনেকটাই মুক্তি মেলা সম্ভব।

*শোয়ার অবস্থান সঠিক করা-

শোয়ার অবস্থানের কারণে কেউ কেউ নাক ডেকে থাকতে পারেন।

সোজা ও চিৎ হয়ে শোয়ার কারণে জিহ্বা ও নরম তালু পেছনের দিকে হেলে যায়। এ কারণে মুখের ভেতরে বাতাস চলাচলের জায়গাটা আটকে যায় ও শব্দের সৃষ্টি হতে পারে। ডান কাতে শোয়া এ ক্ষেত্রে খুবই ভালো একটি সমাধান। বাম কাতে শোয়ার জন্য বুকের ওপর বেশি চাপ পড়তে পারে।

*অ্যালকোহল ছেড়ে দেয়া-

অ্যালকোহল গ্রহণ শুধু নাক ডাকা নয়, শরীরের বিভিন্ন সমস্যার জন্য দায়ী। এটি বিভিন্ন পেশিকে অনেক বেশি শিথিল করে দেয়। ফলে শিথিল মাংস পেশিগুলো মুখের ভেতরে জায়গা আটকে দেয়। তাই যারা মদ্যপান ছাড়তে পারছেন না, তারা নাক ডাকার হাত থেকে রেহাই পেতে সচেষ্ট হোন।

*পর্যাপ্ত ঘুমের প্রয়োজন-

আপনার যদি দৈনিক পর্যাপ্ত ঘুম না হয়ে থাকে, তাহলে নাক ডাকা হতে পারে কিংবা শুরু হতে পারে। অতিরিক্ত ক্লান্তি শরীরের পেশিগুলোকে অলস করে দেয়, যা নাক ডাকার অন্যতম কারণ।

*নাক পরিষ্কার করা-

নাক বন্ধ থাকার জন্যও নাক ডাকার সৃষ্টি হতে পারে। এ জন্যই অনেকে যারা কখনোই নাক ডাকেন না, তারাও নাক ডাকছেন বলে ঘরের লোকজন জানান। ঠান্ডাজনিত কারণে আপনার নাক বন্ধ হয়ে থাকলে শোয়ার আগে গরম পানির ভাপ নিয়ে যথাসম্ভব নাক পরিষ্কার করুন।

*ধূমপান ছেড়ে দিন-

সিগারেটের ধোঁয়া নাকের ভেতর ও গলার মেমব্রেন টিস্যুর ক্ষতি করে। তাই ধূমপান এড়িয়ে যান।

*বালিশের ভারসাম্য-

ঘুমানোর সময় একটি বাড়তি বালিশ নিয়ে মাথাটা একটু উঁচু জায়গায় রেখে ঘুমানোর অভ্যাস করুন। মাথা উঁচু থাকলে এই সমস্যা থেকে অনেকটা রেহাই পাওয়া যায়, তবে লক্ষ্য রাখতে হবে যেন শুধু মাথা ও বুকের দিকটাতেও যেন সামঞ্জস্য বজায় থাকে।

*মেডিটেশন প্রয়োজন-

মেডিটেশন হলো শারীরিক ও মানসিক বিভিন্ন সমস্যার অন্যতম সমাধান। এর মাধ্যমে আপনার অজানা অনেক সমস্যার সমাধান হতে পারে। হয়তো এর মাধ্যমে নাক ডাকা থেকেও মুক্তি পেতে পারেন।

*প্রাকৃতিক উপাদান-

এ ছাড়া প্রাকৃতিক কিছু উপাদান যেমন এলাচ, হলুদ, মধু, ঘি এবং অলিভ অয়েল এগুলো ভেষজ হিসাবে খেলে নাক ডাকা ও শরীরের অনেক সমস্যার সমাধান মিলতে পারে,  এগুলো কী পরিমাণে খাবেন বা খাবেন কি না, তদবিষয়ে  বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলে নিন।

নাক ডাকা খুব দীর্ঘস্থায়ী হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন।

ভেষজ বাড়ি


Monday, March 20, 2023

রমজানে ইসূবগুলের ভুসি খাওয়ার কারণ।


রমজানে ইসূবগুলের ভুসি খাওয়ার কারণ।

ইসবগুলের ভূষির শরবত রোজাদারকে এনার্জি দেয়। সারা দিন রোজা রাখার কারণে শরীরের দূর্বল ভাব দূর করতে সহায়তা করে। সমস্ত দিনের ক্লান্তি দূর করতে সচেতন রোজাদারগণ নিয়মিত ইসবগুল ভূষির শরবত খেয়ে থাকেন। তাছাড়া কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়া, আমাশয়সহ বিভিন্ন রোগ জন্য উপকারি।

**কোষ্ঠকাঠিন্য-

কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে পাইল্সের জন্ম হয়। পাইল্স রোগীগণকে সারা বছর ইসুবগুলের ভূষির শরবত খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞগণ। এটি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এক টেবিল চামচ পরিমাণ ইসূবগুল ভূষি এক গ্লাস পানিতে আধঘণ্টা ভিজিয়ে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে বা সেহরিতে খালি পেটে খেয়ে নিলে ভালো উপকার মেলে। ইফতারে শরবতের সাথেও খাওয়া যায়।

**উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস-

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের জন্য ইসূবগুলের শরবত খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞগণ। উচ্চ রক্তচাপের পাশাপাশি টাইপ ২ ডায়াবেটিস রোগীর জন্য ইসবগুলের শরবত দারুণ কার্যকর। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্যও অনেকে সেহেরি ও ইফতারে এটি খেয়ে থাকেন।

**ডায়রিয়া-

সেহরি ও ইফতারে দুইবারে দুই টেবিল চামচ ইসূবগুলের ভুষি খেলে ডায়রিয়া নিয়ন্ত্রিত হয়। রোগীকে ইসূবগুল ভূষির শরবত খাওয়ালে মিলে উপকার। ডায়রিয়া থেকে সুরক্ষার জন্য সচেতন মানুষ নিয়মিত ইসূবগুল ভূষির শরবত খেয়ে থাকেন।

**হজমে সাহায্য-

সারা দিন রোজা রাখার কারণে হজম প্রক্রিয়ায় সমস্যা হতেও পারে। বিশেষত অনেক রোজাদার ইফতারে ভাজাপোড়া খাওয়ার কারণে হজমের সমস্যা দেখা দেয়। ইফতারের সাথে ইসূবগুল ভূষির শরবত খেলে হজমের সমস্যা কমে যায়। পাকস্থলী পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। রোজাদারগণ নিয়মিত ইসবগুল খাওয়ার অভ্যেস  করলে হজমের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

**আমাশয়-

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইসবগুল আমাশয় রোগের জীবাণু নষ্ট করতে পারে না। তবে আমাশয়ের জীবাণু বের করে দেয়ার ক্ষমতা থাকে। সেহরি ও ইফতারে দুবার করে ইসূবগুল ভূষির শরবত খেলে আমাশয় নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।

ভেষজ বাড়ি


ক্যাস্টর বা ভেন্না তেলের গুণাগুণ

 ভেন্নার তেলের গুণাগুণ ও উপকারিতা।


রূপচর্চার অনেকাংশে ক্ষেত্রেই ভেন্না বা ক্যাস্টর তেলের ব্যবহার আছে। শুধু চুল কিংবা ভ্রু গজানোর জন্য না, ত্বকের সুস্থতায় এই তেল বেশ উপকারী।  এটি সরাসরি ব্যবহার করা যায় না।

ভেন্নার তেলের গুণাগুণ-

চুল পড়া কমাতে ও নতুন চুল গজাতে কার্যকরী এই তেল। চুলের আগা ফাটাও প্রতিরোধ করে থাকে।

ভ্রু পড়ে যাওয়া বন্ধ করতে বেশ উপকারী ভেন্নার তেল। নতুন ভ্রু ও পাপড়ি গজাতে সাহায্য করে।

ত্বকের বলিরেখা কমিয়ে দেবে ভেন্নার তেল। পায়ের গোড়ালি ফেটে যাওয়া রোধে কার্যকরী। এটি প্রতিদিন ব্যবহার করা ঠিক নয়।

ভেন্না  বা ক্যাস্টর তেলের ব্যবহার-

**চুলের জন্য-

নারকেল তেলের সঙ্গে ভেন্নার তেল মিশিয়ে মাথার ত্বকে লাগাবেন। একভাগ ক্যাস্টর তেল ও দুইভাগ নারকেল তেল নিতে হবে। এই মিশ্রণটি একটু গরম করে তুলার সাহায্যে চুলের গোড়ায় লাগাতে হয়। রাতে এ তেলের মিশ্রণ লাগিয়ে সকালে শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুই দিন এই মিশ্রণ ব্যবহার করুন।

**ভ্রু আর পাপড়ি-

দুই ফোঁটা ক্যাস্টর তেলের সঙ্গে তিন-চার ফোঁটা অলিভ তেল মিশিয়ে পাপড়ি ও ভ্রুতে লাগাতে পারেন। এই মিশ্রণ সকালে লাগিয়ে দুপুরে গোসলের সময় ধুয়ে ফেলুন। আবার  দুপুরে গোসলের পর লাগিয়ে সন্ধ্যা বা রাতের দিকে মুখ পরিষ্কার করার সময় মিশ্রণটি ধুয়ে ফেলতে পারেন। ধোয়ার সময় হালকা গরম পানি ব্যবহার করুন।  ধোয়ার সময় সহজ হবে। একদিন বাদে পরদিন এভাবে মিশ্রিত তেল লাগানো যায়।

**ত্বকের জন্য-

সমপরিমাণ ভেন্নার তেল ও মধু সঙ্গে দ্বিগুণ পরিমাণ জলপাই তেল মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করুন। তিনটি উপকরণ মিশিয়ে ফেসপ্যাক তৈরি করে সপ্তাহে দুই দিন ত্বকে ব্যবহার করুন। সন্ধ্যায় লাগিয়ে ৪ঘণ্টা পর ধুয়ে ফেলুন।

পায়ের গোড়ালিতে

শুকনা মৌসুমে পা ফেটে যাওয়ার সমস্যা হয় অনেকের। এ ক্ষেত্রে গোড়ালিতে সরাসরি ভেন্নার তেল লাগিয়ে মোজা পরে দেখতে পারেন। শোয়ার সময় এভাবে ভেন্নার তেল লাগানো ভালো। সকালে হালকা গরম পানি দিয়ে গোড়ালি পরিষ্কার করুন। এক দিন পরপর এভাবে ক্যাস্টর তেল ব্যবহার করলে ধীরে ধীরে পা ফাটা কমে আসবে।

**আরও কিছু গুণাগুণ-

*কাচা ভেন্না সবজি হিসাবে খাওয়া যায়( পরিপক্ক বীজ এবং *ফল খাওয়া ঠিক নয়)।

*চুল পড়া রোধ করতে।

*চুল ঘন করতে।

*চোখের আইব্রোকে ঘন এবং কালো করতে।

*ত্বক কে নরম করতে ব্যবহার করতে পারেন।

*স্কিন থেকে ময়লা দূর করতে

*ডার্ক সার্কেল থেকে মুক্তি পেতে ব্যবহার করতে পারেন।

*শুস্ক ত্বককে নরম করে।

*বলিরেখা দূর।

*ত্বকের কালো দাগ দূর।

*মাথার স্ক্যাল্প কে সুস্থতা দান।

ভেষজ বাড়ি


Sunday, March 19, 2023

মাস্টারবেশন সমস্যায় সাবধান হোন


 মাস্টারবেশনের কারনে কী কী সমস্যা দেখা দিতে পারে।

হস্তমৈথুন বা মাস্টারবেশন ব্যাপারটির সঙ্গে আমরা সকলেই কম-বেশি পরিচিত। পুরুষ এবং নারী উভয়ের ক্ষেত্রেই এটি একটি সাধারণ দৈহিক ক্রিয়া-কলাপ চলে, যা তাদের যৌনতৃপ্তিকে সন্তুষ্টি করে। তবে হস্তমৈথুন এমন একটি কুঅভ্যাস, যা একবার কাউকে পেয়ে বসলে তা ত্যাগ করা খুবই কঠিন হয়ে পড়ে।

চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মতে, মাস্টারবেশন এমন একটি বিষয় যা নিয়ন্ত্রিত মাত্রায় স্বাস্থ্যের জন্য উপকারি বটে। কিন্তু কেউ যদি নির্দিষ্ট পরিমাণের অতিরিক্ত হস্তমৈথুন করেন, তবে তা দেহের পক্ষে খুবই নেতিবাচক। এ অভ্যাস মানুষের স্বাভাবিক জীবন ও যৌনজীবন বিপর্যস্ত করে তুলে।

অতিমাত্রায় হস্তমৈথুন করলে মূলত দুই ধরনের সমস্যা হয়ে থাকে। ১। শারীরিক সমস্যা ২। মানসিক সমস্যা। কেউ যদি এই আসক্তিতে পড়ে থাকেন তাহলে কিন্তু মহা বিপদ। এখনি এই অভ্যাস পরিত্যাগ করুন, নাহলে ভবিষ্যৎ অন্ধকার। সময় হাতে থাকতেই নিজকে নিয়ন্ত্রণ করুন। সাবধান হোন। মাত্রাতিরিক্ত মাস্টারবেশনের সমস্যা জেনে নিন।

**বন্ধ্যাত্ব দেখা দিতে পারে-

অতিরিক্ত হস্তমৈথুন করলে পুরুষের বীর্যে শুক্রাণুর সংখ্যা অনেকটাই কমে যায়। যার ফলে দেখা দিতে পারে মেল ইনফার্টিলিটি বা পুরুষ বন্ধ্যাত্ব। কারণ, একজন সুস্থ স্বাভাবিক পুরুষ যখন সেক্স করেন তখন যে বীর্য বার হয়, সেই বীর্যের শুক্রাণুর সংখ্যা হয় প্রায় ৪২ কোটির। কিন্তু যে ব্যক্তি অতিরিক্ত হস্তমৈথুন করেন তাদের ক্ষেত্রে এই শুক্রাণুর সংখ্যা কমে গিয়ে দুই কোটির নিচে চলে আসে। চিকিৎসকদের মতে, যে পুরুষের বীর্য থেকে কুড়ি কোটির কম শুক্রাণু বের হয়, সেই পুরুষ সন্তান জন্ম দিতে অক্ষম হন।

**রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে-

হস্তমৈথুন যৌনাঙ্গের পাশাপাশি শরীরের অন্যান্য অঙ্গকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে থাকে। যার প্রেক্ষিতে শারীরিক দুর্বলতা ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমতে থাকে, এ প্র্যাকটিস নার্ভাস সিস্টেম, হৃদয়, হজমশক্তি, ইউরিনারি সিস্টেমকে ক্ষতিগ্রস্থ করে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়ার ফলেই শরীরে জন্ম নেয় নানাহ রোগ।

**অকাল বীর্যপাত-

যাদের অতিরিক্ত হস্তমৈথুন করার অভ্যাস, তাদের ক্ষেত্রে সঙ্গীর সাথে যৌন মিলনের সময় খুব অল্প সময়েই বীর্যপাত ঘটাতে পারে। যার ফলে স্বামী বা স্ত্রীকে সন্তুষ্ট করতে অক্ষম হতে পারেন। এ থেকে দেখা দেয় দাম্পত্য জীবনে অশান্তি।

**হজম ক্ষমতার দুর্বলতা-

অতিরিক্ত মাস্টারবেশনের ফলে শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোনের উপর খারাপ প্রভাব পড়তে থাকে। তার ফলে হজম ক্ষমতাকে ধীরে ধীরে দূর্বল করে দিতে থাকে।

**মানসিক সমস্যার জন্ম-

পুরুষ এবং নারী, উভয়ের ক্ষেত্রেই অতিরিক্ত হস্তমৈথুন তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের উপর খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে। আবাব কখনো বিকৃত মানসিকতার জন্ম নেয়। এই মাস্টারবেশন স্মৃতিশক্তি দুর্বল করে দেয়।

**চোখের সমস্যা-

মাত্রাতিরিক্ত মাস্টারবেশন চোখের ক্ষতি করে। চোখের দৃষ্টি পরিষ্কার হওয়ার পরিবর্তে অনেক সময় চোখে ঘোলাটে ভাব লক্ষ্য করা যায়।

ভেষজ বাড়ি

Saturday, March 18, 2023

থানকুনি পাতার গুণাগুণ-

 

সুস্থ থাকার জন্য আধুনিক ওষুধ ও চিকিৎসার ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল না হয়ে চেষ্টা করুন প্রাকৃতিক উপায়ে সুস্থ থাকতে। অনেক ভেষজ আছে যা বিভিন্নভাবে আমাদের সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। তম্মধ্যে একটি থানকুনি পাতা। হালকা তেতো স্বাদের এই পাতাকে ইংরেজিতে বলা হয় ইন্ডিয়ান পেনিওয়ার্ট। 

থানকুনি একটি বহুবর্ষজীবী লতানো উদ্ভিদ। পুকুর এবং জলাভূমির আশেপাশে পাওয়া যায়। এটি ভারত, শ্রীলঙ্কা, চীন, ইন্দোনেশিয়া, মাদাগাস্কার, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং পূর্ব ইউরোপেও জন্মে। থানকুনি ব্যবহার করা যায় খাদ্য এবং ওষুধ হিসেবেই।  শেকড় সহ এর পুরো অংশই খাওয়া যায়। ভর্তা, ভাজি, বড়া তৈরির পাশাপাশি এই পাতা দিয়ে চাটনি, সালাদ এবং পানীয়ও তৈরি করা যায়।


গুণাগুণ-

**আলসার এবং মূত্রনালীর সংক্রমণ-

থানকুনির অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্যের কারণে এটি পেট এবং মূত্রনালীর সংক্রমণ দূর করতে সহায়তা করে। প্রথমে পরিষ্কার ও তাজা থানকুনি পাতা সেদ্ধ করে তারপর সেই পানি একটি গ্লাসে ছেঁকে নিয়ে তার সঙ্গে যোগ করুন   কিছু মধু। পেটের আলসার এবং মূত্রনালীর সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে প্রতিদিন সকালে এই পানীয় পান করতে পারেন।

**হজমের সমস্যা-

তাজা থানকুনি পাতা এক চিমটি লবণ দিয়ে সেদ্ধ করে নিয়মিত পান করুন। কারণ হজমশক্তি ভালো করার জন্য এবং সুস্থ থাকার জন্য থানকুনি পাতার এই পানীয় খুব উপকারী।

**পেট এবং লিভার-

যারা পেটের সমস্যায় ভুগছেন তারা প্রতিদিন সকালে একটি পাকা কলার সঙ্গে কিছু থানকুনি পাতা মিলিয়ে খেতে পারেন। এমনটাই পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের। এভাবে নিয়মিত খেলে আপনার পেটের স্বাস্থ্য এবং লিভার দুটোই ভালো থাকবে।

**ক্ষত-

ক্ষত দ্রুত নিরাময়ের জন্য ব্যবহার করতে পারেন থানকুনি পাতা। এতে রয়েছে অ্যান্টিবায়োটিক বৈশিষ্ট্য যা খুব তাড়াতাড়ি ক্ষত সারাতে সাহায্য করে। ক্ষত নিরাময়ের গতি ত্বরান্বিত করতে এবং ত্বকের কার্যকারিতা বাড়ানোর জন্য শুকনো থানকুনির গুঁড়া দিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করে ক্ষতস্থানে প্রলেপ  দিন।

**আর্থ্রাইটিস-

আর্থ্রাইটিস বা বাতের সমস্যায় ভুগছেন তাদের জন্য উপকারী হতে পারে থানকুনি পাতা। এটি প্রদাহ দূর করতে সাহায্য করে। বাতের চিকিৎসার অংশ হিসেবে চিকিৎসকরা নিয়মিত থানকুনি পাতা খাওয়ার পরামর্শ দেন। প্রতিদিন অন্তত দুটি থানকুনি পাতা খাওয়ার অভ্যাস করুন। এতে বাতের সমস্যা থেকে দূরে থাকতে পারেন। 

**কাশি এবং শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা-

মধুর সঙ্গে থানকুনি পাতার রস মিশিয়ে খেলে তা সহজেই কাশি এবং শ্বাসযন্ত্রের অসুখ সারাতে সাহায্য করে। তুলসি ও গোল মরিচ দিয়ে থানকুনি পাতা খেলে তা ঠান্ডা এবং জ্বরও নিরাময় হয়। গলা ব্যথা এবং কাশি নিরাময়ের জন্য, থানকুনি পাতার রসের সঙ্গে সামান্য চিনি মিশিয়ে পান করতে পারেন। এক সপ্তাহ খেলেই উপকার বুঝবেন।


**কোষ্ঠকাঠিন্য-

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে থানকুনি পাতা খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। আপনি খাবারের তালিকায় থানকুনি পাতা রাখেন তবে আর কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভুগতে হবে না।


**রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা-

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্য খুব কার্যকরী থানকুনি।মহামারির সময়ে আরও থানকুনি বেশ জরুরি। তাই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ধরে রাখতে থানকুনি পাতার রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেতে পারেন। এটি শিশুদেরকেও খাওয়ানো উপকারী। 

**অনিদ্রা-

অনিদ্রার সমস্যা মানুষকে শারীরিক ও মানসিকভাবে অনেকটাই অসুস্থ করে। তাই সুস্থ থাকার জন্য নিয়মিত ঘুম জরুরি। অনিদ্রার সমস্যায় খেতে পারেন থানকুনি পাতা। প্রতিদিন দুইবার ২-৪ চামচ থানকুনির রস ও মধু মিশিয়ে খেলে ফল পাবেন। অনিদ্রার সমস্যা কমবে শীঘ্রই।

**চুল পড়া-

চুল যদি মাত্রাতিরিক্ত পড়তে থাকে তখন দুশ্চিন্তার কারণ হয়। এখানে সাহায্য করতে পারে থানকুনি পাতা। প্রতিদিন সকালে ১চা চামচ শুকনো থানকুনির গুঁড়া দিয়ে পেস্ট তৈরি করে  মাথায় ব্যবহার করলে চুল পড়া কমাতে সাহায্য করে।

ভেষজ বাড়ি


Wednesday, March 15, 2023

বিটরুট পাউডারের উপকারিতা-

 বিটরুট পাউডারের উপকারিতা-


বিট একটি অতি পরিচিত সব্জি। শরীর ভালো রাখতে বিট রুট খুব কাজ দেয়। ভিটামিন সি’তে ভরপুর বিটে রয়েছে পটাসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, আয়রন, ফোলেট ও খাদ্যআঁশ। সৌন্দর্যচর্চায়ও বিটের ব্যবহার অনেকেই জানি। ত্বকের বলিরেখা বা ভাঁজ দূর করতে বীট খুব কার্যকরী। বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যার প্রতিকার করে এবং বীট রক্ত প্রবাহ বাড়িয়ে দিয়ে ত্বককে আরো সতেজ করতে জুড়ি নাই। বিটরুট পাউডার মুখের ব্রণ, দাগ এবং ডার্ক সার্কেল দূর করতে ব্যবহৃত হয় থাকে। তাছাড়া ত্বকের রঙ উজ্জ্বল করতে বিটরুটের বিকল্প নাই।

*ব্যবহারের নিয়ম:
ডার্ক সার্কেল-  এক চামচ বিটরুট + শশার রস নিয়ে চোখের নিচে দশ মিনিট রেখে পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে নিবেন।
১০/১৫ দিনের মধ্যে পার্থক্যটা বুঝতে পারবেন।

**শুষ্ক স্কিন-
অনেকেই শুষ্ক ত্বক নিয়ে খুব সমস্যায় ভোগেন। তাদের ক্ষেত্রে বিট বেশ উপকারী ভূমিকা রাখতে পারে। বিটরুট গুঁড়ো সাথে কিছুটা দুধ এবং কয়েক ফোঁটা মধু মিশিয়ে পেস্ট করে মুখে লাগান এবং ১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।
সেনসেটিভ স্কিনঃ ১ চা চামচ বিটরুটের গুঁড়ো নিয়ে তাতে ১ চা চামচ টকদই দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে ব্রণ আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে ১০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। এতে ব্রন+ দাগ দূর হবে।

**আন ইভেন স্কিন টোনার-
ত্বকে দাগ কমাতে টমেটোর রসের সাথে বিটরুট পাউডার মিশিয়ে মুখে লাগালে উপকার পাওয়া যায়। ত্বকের বলিরেখা দূর করতে বিটরুট বেশ কার্যকরী।

**তৈলাক্ত স্কিন-
বিটরুটের সঙ্গে এক চা চামচ মুলতানি মাটি মিশিয়ে তারপর মিশ্রণে এক চামচ লেবুর রস মিশিয়ে তিনটি উপাদান ভালে করে মিশিয়ে ফেলুন। এমনভাবে মেশালে একটা পেস্ট তৈরি হবে। এই পেস্ট মুখে লাগিয়ে পনের মিনিট রাখুন। তারপর শুধু ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ত্বকের ক্ষত সারানোর পাশাপাশি ব্রণ এবং নানা রকমের দাগ কমাতে এই পেস্টটি দারুন কাজ করে।

**ব্রাইটনেস- ত্বকের উজ্জ্বলতা যদি বাড়াতে চান তাহলে বিটরুট পাউডার এবং লেবুর রস মিশিয়ে মুখে মাখুন। দশ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।১০/১৫ দিনে স্কিনটোন  গোলাপী আভা আসবে স্কিনে।
ভেষজ বাড়ি।

Tuesday, March 14, 2023

শারিরীক দূর্বলতা কমায় আলকুশি।

 শারিরীক দূর্বলতা  কমায় আলকুশি।


আলকুশি একটি ঔষধি গাছ। রয়েছে অনেক গুণাগুণও। এ গাছ ব্যবহার করে নানাহ রোগ থেকে সুস্থতা পাওয়া যায়।

আলকুশির গুণাগুণ:
**কোন পোকা মাকড়ের কামড়ে বা বিচ্ছার কামড়ে আলকুশীর বীজের গুড়া লাগালে অনেকটা কস্ট কমে যায়।

**শিকড়ের রস এক চামচ করে একমাস খেলে আমাশয় রোগ থেকে মুক্তি মিলতে পারে।

**আলকুশির পাতার রস ফোঁড়ায় দিলে তা ফেটে যায়।

**আলকুশির বীজ চিনি ও দুধের সাথে সেদ্ধ করে খেলে বাত রোগের আরাম হয়, শারীরিক দুর্বলতা দূর হয়, শুক্র বৃদ্ধি ও গাঢ় হয় এবং স্নায়ুবিক দূর্বলতা কমতে থাকে।

**শিকড়ের রস জ্বর, সর্দি-কাশি থেকে রেহাই পায়।

**আলকুশির শিকড়ের মণ্ড মূত্রবর্ধক ও মূত্রযন্ত্রের রোগ নিরাময়ে বেশ কার্যকর।

**কাণ্ডের রস চোখের রোগে ফল দেয়।

**শিকড়ের রস জীবজন্তুর গায়ের ঘায়ে লাগালে ক্ষত দ্রুত সারে।
আলকুশির বৈজ্ঞানিক নাম: মুকুনা পুরিয়েন্স।

মধ্য আমেরিকায় আলকুশির বীজ ভেজে গুড়া করে কফির বিকল্প হিসাবে ব্যবহৃত হয়। এ কারণে ব্রাজিলসহ অন্যান্য দেশে এর প্রচলিত নাম হচ্ছে নেস ক্যাফে। গুয়েতেমালায় এখনও খাদ্যশস্য হিসেবে আলকুশির আবাদ হয়।

ভায়াগ্রা বা এ জাতীয় ঔষধ কত যে ক্ষতিকর।

 ভায়াগ্রা বা এ জাতীয় ঔষধ কত যে ক্ষতিকর!


যৌন শক্তি বাড়াতে অনেকেই ভায়াগ্রা সেবন করছেন বা সেবনের কথা ভাবছেন। কিন্তু জেনে রাখুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়া এই ঔষধ ব্যবহার  নিয়ে আসবে আপনার জীবনহানি। এমনকি বাকি জীবনের জন্য হারিয়ে ফেলতে পারেন যৌন সক্ষমতা।

ভায়াগ্রা বা এ ধরণের ঔষধ উন্নতশীল দেশে ডাক্তারের সাজেশন ছাড়া ক্রয় বিক্রয় হয় না। কিন্তু আমাদের দেশে এটার বিপরীত। একটা বিষয় মাথায় রাখতে হবে এই ধরণের ওষুধ উথ্থানজনিত যাদের আছে তাদের জন্য তৈরি হয়। এটা কিন্তু একেবারেই কামোদ্দীপক নয়। সহজ বাংলায় এটা উত্তেজনা বাড়াতে সাহায্য করে। এই ধরণের ঔষধ বয়স্ক মানুষদের জন্য তৈরি হশেছে। কারণ এই পন্চাষোর্ধ বয়স হওয়ার পর মানষের হৃদযন্ত্র যথেষ্ট রক্ত পরিচালন করতে পারে না। ফলে উত্তেজনা ক্ষমতা কমতে থাকে।

গবেষণায় দেখা গেছে সম্প্রতি এই ধরণের ঔষধ তরুণ এবং যুবকরাও যথারীতি ব্যবহার করে চলেছেন। জানা থসকা ভালো বারবার ব্যবহার করলে শরীর এই ধরণের ঔষধে অভ্যস্ত হয়ে যায় এবং ভবিষ্যতে এমনও হচ্ছে এই ঔষধের সাহায্য ছাড়া সঙ্গীনিকে যথেষ্ট সফলতা দেয়া সম্ভব হয় না। আর এটা ব্যবহার করতে করতে তখন আর এই ঔষধও কাজ করে না।

তাছাড়া এর রয়েছে নানান প্রতিক্রিয়া। অন্য ঔষধ বিশেষত যে ঔষধে নাইট্রেট আছে সেই ধরণের ঔষধের সাথে ভায়গ্রা বা এ ধরণের ঔষধ একেবারেই খাওয়া ঠিক না। হৃদয় সমস্যা বা হাইপারটেনশন এর জন্য যারা নিয়মিত ঔষধ খান তাদের এই ধরণের ঔষধ খাওয়া ঠিক নয়।

মাথায় যন্ত্রণা‚ লিভারের সমস্যা‚ চোখের দৃষ্টি ঝাপসা‚ ফেসিয়াল ফ্ল্যাশিং‚ চোখে নীল আলো দেখা বা সেনসিটিভিটি টু লাইট- এগুলো সব ভায়াগ্রা বা ওই ধরণের ঔষধের প্রতিক্রিয়া। অনেক ক্ষেত্রে ভায়াগ্রা সেবনে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বিপদ ডেকে আনতে পারে।

কোন অবস্থায়ই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়া এই ঔষধ ব্যবহার করা উচিত নয়। পুরুষত্ব দেখাতে গিয়ে যৌবন তথা জীবনকে হারাতে হবে।

জেনে নেই কোন কোন খাবার সেক্সফুডের কার্যকরি ভূমিকা রয়েছে।

 জেনে নেই কোন কোন খাবার সেক্সফুডের কার্যকরি ভূমিকা রয়েছে ?


পেস্তা, তরমুজ,জাফরান,  ডাবের পানি, কলা, ডার্ক চকলেট, মিষ্টি কুমড়া, গাজর, রসূন, আপেল, দুধ, মধু, কফি, বিটরুট, বাদাম, চেরী, দেশী মূরগী।  আর হলো  পালং শাক, খেজুর, মিষ্টি আলু, কফি, স্ট্রবারী, পেঁয়াজ,ডিম ও মাছ।

মানুষ তাদের যৌনশক্তি লাভ করে খাবার থেকেই। সুখী দাম্পত্য জীবনের জন্য স্বামী স্ত্রীর মধ্যে ভালো বোঝাপড়া থাকার পাশাপাশি দরকার উন্নততর যৌনজীবন। আমাদের আশেপাশে তথাকথিত হারবাল, কবিরাজ, ভেষজ নামধারী ভূয়া যৌন কবিরাজ/হাকিমদের অভাব নেই। দেখা যায়, সাধারণ মানুষই তাদের খপ্পরে বেশি পড়ে থাকে আর যৌন শক্তি আগে যা ছিল তাদের চিকিত্সা নিয়ে নিয়ে একসময় সেটাও হারিয়ে ফেলে। তাই পুষ্টিকর খাবার খাবেন। সুস্থ থাকুন। সুখী থাকুন।

রতনজোত: মসলা হলেও একটি উপকারি ভেষজ।

 রতনজোত: মসলা হলেও একটি উপকারি ভেষজ।


রতনজোতের উপকারিতা।
রতনজোত হলো একটি আয়ুর্বেদিক ঔষধি ভেষজ, যা বিভিন্ন ধরণের স্বাস্থ্য অসুস্থতার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। আয়ুর্বেদিক ঔষধের মধ্যে একটি হলো রতনজোত ভেষজ। রতনজোতের সুবিধাগুলি সম্পর্কে সম্ভবত অনেকের জানা নাই।  রতনজোতের উপকারিতা চুলকে স্বাস্থ্যকর রাখে, ত্বককে সুস্থ রাখে, অনিদ্রা দূর করে, দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়, ত্বকের শুষ্কতা দূর করে, জ্বর কমায়, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে, দাদ এর  চুলকানি দূর করতে ব্যবহৃত হয়। রতনজোতের পুষ্টি, উপকারিতা, ব্যবহার এবং অসুবিধাগুলি সম্পর্কে বিশদভাবে জেনে নেই।

রতনজোতে ভাল পরিমাণে পুষ্টিযুক্ত ঔষধি গুণ রয়েছে। এগুলি ছাড়াও উপাদানগুলো হলো ইথেন, ১।ডাইক্লোরো, ১ এইচ-এনজোট্রিয়াজল, ৪ নাইট্রো, ২-ক্লোরোয়েথিল মিথেনসালফোনেট এবং ৪-ডায়াজো ইত্যাদি এর মূলটি আয়ুর্বেদিক ওষুধ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

রতনজোত একটি দুর্দান্ত ভেষজ যা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।

**মাথাব্যথার সমস্যা-
মাথাব্যথার সমস্যা কাটিয়ে উঠতে রতনজোত উপকারী। রতনজোতে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা মাথা ব্যথা হ্রাস করে। রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে। মাথা ব্যথায় ব্যথা অনুভব করলে রতনজোতের মূল ব্যবহার করুন। এটি মাইগ্রেনের সমস্যাও দূর করে।

**ভালো ঘুম পেতে - অনেকেরই ঘুমোতে সমস্যা হয় যার কারণে তাদের অন্যান্য রোগের মুখোমুখি হতে হয়। রতনজোত তেলের ভাল ঔষধি গুণ রয়েছে যা অনিদ্রার সমস্যা দূর করে ভাল ঘুম পেতে সহায়তা করে। তবে, প্রতিদিন রতনজোত তেল দিয়ে নিয়মিত মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করা উচিত। এর বাইরে stress কমাতেও এটি সহায়ক, তাই প্রতিদিন রতনজোত তেল ব্যবহার করুন।

**জ্বর নিরাময়ে-
রতনজোত মূলের মধ্যে রয়েছে ঔষধি বৈশিষ্ট্য যা দেহের উচ্চ তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে। আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় জ্বর কমাতে ব্যবহৃত হয়। জ্বর নিরাময়ের সাথে রতনজোট দুর্বলতা হ্রাস করে। ঘামের মাধ্যমে, ব্যাকটেরিয়াগুলি শরীর থেকে বেরিয়ে আসে।

**হার্টকে সুস্থ রাখতে- রতনজোতের মূল হৃৎপিণ্ডকে সুস্থ রাখতে দরকারী। রতনজোতে রয়েছে  ঔষধি গুণাবলী যা টক্সিন দূর করতে সহায়তা করে এবং হৃদয়কে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। এ জন্য রতনজোতের মূলকে জলে ভিজিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে। দেহ থেকে ময়লা সরিয়ে ফেলা হলে হৃৎপিণ্ড সঠিকভাবে কাজ শুরু করে।

**ওজন কমাতে-
ওজন কমানোর জন্য রতনজোতের ব্যবহার উপকারী। ওজন কমাতে রতনজোতের গুঁড়ো ব্যবহার করা হয়। রাসায়নিক উৎপাদনের জায়গায় রতনজোত ব্যবহার উপকারী। এর গুঁড়ো ব্যবহার ক্ষতিকারক নয়।

কি ভাবে ব্যবহার করবেন।
রতনজোত  নিম্নলিখিত পদ্ধতিতে ব্যবহৃত হয়।
রতনজোত ব্যবহার ভেরিকোজ শিরা, মান্ডারিন আলসার, বিছানার ঘা এবং চুলকানি র‍্যাশের চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত হয়।
কাঁচা এবং ব্রোঙ্কিয়াল ক্যাটরাসের চিকিৎসার জন্য। রতনজোত অভ্যন্তরীণভাবে ব্যবহৃত হয়।
রতনজোত ত্বকের ক্ষত এবং ডায়রিয়ার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
রতনজোত ঐতিহ্যিকভাবে ত্বকের ক্ষত এবং রোগের চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত হয়।
অ্যালকানা মূল ডায়রিয়া এবং গ্যাস্ট্রিক আলসার জন্য রতনজোত মৌখিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
অ্যালকানেট থেকে তৈরি ভেষজ চা আধুনিক মানুষ রোগের প্রতিকার হিসাবে ব্যাপকভাবে ব্যবহার করে, যেমন রোগের অসুবিধায় সমস্যাগুলি চিকিৎসা করে।
অবিরাম কাশির মতো লক্ষণগুলি হ্রাস করতে চা হিসাবে রতনজোত ব্যবহৃত হয়।
অ্যালকনেট চা শুষ্ক ত্বককে নরম ও প্রশমিত করতে ব্যবহৃত হয়। তবে এটি একটি শক্তিশালী মূত্রবর্ধক হিসাবে পাশাপাশি তুচ্ছ ও রক্ত ​​পরিশোধক হিসাবেও ব্যবহার করে।
রতনজোত ট্রপিক্যাল চিকিত্সা হিসাবে সমস্ত ধরণের কাটা, ক্ষত এবং ফেলবিটিসের চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করা হয়।

***রতনজোতের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া-
রতনজোতের সুবিধাগুলি অনেক তবে কখনো কখনো অসুবিধা হতে পারে।
রতনজোটের রুট ডাই ব্যবহার করা উচিত নয়।
বুকের দুধ খাওয়ানো এবং গর্ভাবস্থায় মহিলাদের রতনজোত ব্যবহার করা উচিত নয়।
যাদের রতনজোতের সাথে অ্যালার্জির সমস্যা রয়েছে তাদের এটি খাওয়া উচিত নয়।

রতনজোতের ফল বা পাতা সরাসরি ব্যবহার করা উচিত নয়।
লিভার ডিজিজে আক্রান্ত ব্যক্তিরা রতনজোত ব্যবহার করবেন না।
উচ্চ রক্তচাপের লোকদের রতনজোতের মূল ব্যবহার করা উচিত নয়।

আপনি যদি রতনজোত ব্যবহার করে কোনও শারিরীক সমস্যা অনুভব করে থাকেন তবে আপনি ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

আমরা কেবল নিবন্ধের মাধ্যমে আপনাকে তথ্য দেওয়ার প্রচেষ্টা। আমরা কোন ঔষধ, চিকিত্সার পরামর্শ দেই না। কেবল ডাক্তারই আপনাকে ভাল পরামর্শ দিতে পারেন।

নিশিন্দার বহু গুণ-

 নিশিন্দার বহু গুণ-


নিশিন্দার যে কত গুণ রয়েছে তা আমাদের অনেকেরই জানা নেই। নিশিন্দা একটি গুল্ম জাতীয় ও বৃক্ষ সংকর নামেও বলা হয়। নিশিন্দা ইংরেজি Chaste Tree। এর রয়েছে নানাবিধ ভেষজ গুণ। আমাদের দৈনন্দিন রোগ প্রতিরোধে নিশিন্দার রয়েছে নানাবিধ উপকারিতা। নিশিন্দার গুণাগুণ।

**নিশিন্দার পাতা অন্তঃপরজীবী নাশক এবং এর যক্ষা ও ক্যান্সারবিরোধী গুণ রয়েছে। নিয়মিত নিশিন্দা পাতা খেলে মারাত্মক সব রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

**নিশিন্দা পাতা গরম করে যে কোনো ফোলা বা মচকানোর ব্যথাযুক্ত কিংবা প্রদাহের স্থানে রেখে গরম কাপড় দিয়ে বেঁধে দিতে হবে। প্রতিদিন ৪ থেকে ৫ বার করে। এতে আক্রান্ত স্থান দ্রুত ভাল হয়ে যায়।

**শরীরের কোনো স্থানের টিউমার হলে নিশিন্দা পাতা বেটে গরম করে প্রতিদিন লাগালে কয়েকদিনের মধ্যে টিউমার থাকবে না।

**নিশিন্দা পাতার রস কিংবা পাতা বেটে সরিষার তেলে পাক করে সে তেল ১ থেকে ২ ফোঁটা করে কানে দিলে যদি কানে কোন রোগ থাকে তা ভাল হয়ে যায়।

**নিশিন্দা পাতার চূর্ণ সিকি গ্রাম পরিমাণ খেলে গুঁড়া কৃমির উপদ্রব অনেকাংশে কমে যায়।

**নিশিন্দা পাতা গেঁটে বাত সারাতেও বেশ কাজে আসে। যদি জ্বর থকে, তবুও এতে সুফল পাওয়া যাবে। নিশিন্দা ৫ গ্রাম পরিমাণ পাতা সিদ্ধ করে ছেঁকে সে পানি খেতে হয়।

**নিশিন্দা হাঁপানি কিংবা ঠান্ডাজনিত রোগেও বেশ কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে।